নিজস্ব প্রতিনিধি, তেলিয়ামুড়া/ চুড়াইবাড়ি, ২৪ অক্টোবর৷৷ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তল্লাশি চালিয়ে রবিবার বিকেলে তেলিয়ামুড়া ত্রিশাবাড়ি স্থিত রেলস্টেশন থেকে আনুমানিক প্রায় তিন লক্ষাধিক টাকার শুকনো গাঁজা৷সেই সঙ্গে আটক গাঁজা পাচারের সঙ্গে যুক্ত নয় জন অভিযুক্ত৷তাদের মধ্যে ছয় জন পুরুষ ও তিন জন মহিলা রয়েছে৷
খবরে জানা যায়,তেলিয়ামুড়া মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সোনা চরণ জমাতিয়ার নিকট গোপনে খবর আসে যে তেলিয়ামুড়া রেলস্টেশন থেকে গাঁজা নিয়ে যাওয়া হবে বহিঃরাজ্যে পাচারের উদ্দেশ্যে৷ সেই খবর মোতাবেক তেলিয়ামুড়া মহাকুমা পুলিশ আধিকারিক তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশ বাহিনীকে নিয়ে রেল স্টেশন চত্বরে উৎ পেতে বসে৷ খবর মোতাবেক বিকেল রেলে করে বহিঃরাজ্যে বিহারের উদ্দেশ্যে যাবার পথে সন্দেহবশত মোট নয়জন পুরুষ মহিলাকে আটক করে৷ তাদের তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছে থাকা মোট ৯টি ব্যাগ থেকে তেষট্টি কেজি শুকনো গাঁজা উদ্ধার করে৷ তেলিয়ামুড়া মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সোনা চরণ জমাতিয়া জানিয়েছেন উদ্ধারকৃত গাঁজা গুলির আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় তিন লক্ষাধিক টাকা৷
তিনি জানিয়েছেন তদন্ত চলছে৷ এখন দেখার বিষয়,তদন্ত সাপেক্ষে গাঁজা পাচারের সঙ্গে যুক্ত কোন মাস্টারমাইন্ডের নাম বেরিয়ে আসে৷ নাকি আর পাঁচটা সাধারণ মামলার মতো ফাইলবন্দি হয়ে থেকে যায় গাঁজা পাচার এই মামলাটি ও৷ তবে এ থেকে প্রমাণিত হয় প্রতিনিয়তই রেল যোগের মাধ্যমে নেশা সামগ্রীসহ বিভিন্ন অবৈধ সামগ্রী রাজ্য থেকে বহি রাজ্যে পাচার হচ্ছে৷ এদিকে, আধঘণ্টার মধ্যে পৃথক পৃথক দু’’টি নাকা চেকিংয়ে বার্মিজ সিগারেট ও গাঁজা জব্দ করতে সক্ষম হয় অসম চুড়াইবাড়ি থানার পুলিশ৷ দুটি ক্ষেত্রেই ত্রিপুরার বিভিন্ন থানা ও পুলিশ প্রশাসনকে ব্যর্থ প্রমাণিত করে অসম চুড়াইবাড়ি থানার পুলিশ৷ প্রথমে ম্যাজিক গাড়িটি ফল ও সব্জি নিয়ে অসমের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল৷ ত্রিপুরা সীমান্ত পেরিয়ে অসম চুড়াইবাড়িতে প্রবেশ করতেই গাড়িটি সিগন্যাল দিয়ে তল্লাশি করতেই বিপুল পরিমান সিগারেট বেরিয়ে আসে৷ উনিশ হাজার আটশো পেকেট যার বাজারমূল্য প্রায় দুই লক্ষ টাকা৷ সঙ্গে দুই যুবককে আটক করা হয়৷ ধৃত যুবকের নাম অরুন চাকমা(১৯) বাড়ি ত্রিপুরার পেচারথল ও তপন নাথ(২৪) বাড়ি অসমের তিলবুমে৷
অপরদিকে এর কিছুক্ষণ পরই আগরতলা থেকে মিনি ট্রাক্টর একইভাবে ত্রিপুরা সীমান্ত পেরিয়ে অসম চুড়াইবাড়ি গেটে প্রবেশ করতেই সেখানে নাকা চেকিংয়ে আটক করে তল্লাশি করতেই গাড়ির বডিতে রাখা ৩২টি গাঁজার প্যাকেট মোট চারশো তেরো কেজি গাঁজা উদ্ধার করেন ইনচার্জ মিন্টু শীল৷ যার বাজারমূল্য চার লক্ষাধিক টাকা বলে জানান ইনচার্জ৷ গাঁজা গুলোর সঙ্গেও চালক দেবা দেববর্মা, , সাইমন দেববর্মাকে আটক করে পুলিশ৷ ধৃত চারজনকে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং সম্পূর্ণ ঘটনার জোর জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ৷

