নয়াদিল্লি, ৩ মার্চ (হি.স.) : দিল্লির সাম্প্রতিক হিংসা নিয়ে উত্তাল সংসদের নিম্নকক্ষ লোকসভা। তার জেরে দিনের মুলতুবি হয়ে গেল অধিবেশনের কাজকর্ম। মঙ্গলবার কংগ্রেস সহ বিরোধী দলগুলির সাংসদদের আশ্বস্ত করে অধ্যক্ষ বলেছিলেন যে দিল্লির হিংসায় নিয়ে ১১ মার্চ আলোচনা হবে। কিন্তু বিরোধী দলগুলির সাংসদরা অবিলম্বে আলোচনার দাবি তোলেন।
এদিন দিল্লির হিংসা নিয়ে এদিন অধিবেশন কক্ষের ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখায় কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস, ডিএমকে, সমাজবাদী পার্টি, বহুজন সমাজপার্টির সাংসদেরা।
এদিন লোকসভায় দি ব্যাঙ্কিং রেগুলেশন (অ্যামেডমেন্ট) অ্যাক্ট ২০২০ পেশ করতে যাচ্ছিল কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মালা সীতারমণ। সেই সময়ে ওয়েলে নেমে ট্রেজারি বেঞ্চের সামনে এসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন কংগ্রেস সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরি। তাঁকে ফের বিরোধী বেঞ্চের দিকে নিয়ে যান আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ।
এদিন অধিবেশন শুরু হওয়ার আগে সর্বদলীয় বৈঠকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় যে সাংসদ বিক্ষোভ দেখানোর নামে আসন ছেড়ে উঠবে তাকে পরবর্তী অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড করা হবে।
এদিন লোকসভায় সেক্রেটারিয়েটের কাগজ ছিনিয়ে নেন কংগ্রেস সাংসদ কে সুরেশ। এর জেরে ওই কংগ্রেস সাংসদদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। লোকসভায় কাগজ ছিড়ে গোলা পাকিয়ে অধ্যক্ষের দিকে ছুড়ে মারেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ মহুয়া মৈত্র।


















