নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১ ফেব্রুয়ারি৷৷ দেশ ও বিশ্ববাসীর কাছে আগরতলা শহরকে আকর্ষনীয় ও গ্রহণীয় করে তুলতে আগরতলা শহরে স্বাচ্ছন্দ্য জীবন যাপন সম্পর্কিত নবীকরনে অংশ গ্রহণ করতে এবং পুর নিগমের প্রদেয় বারকোড তথা লিঙ্কের মাধ্যমে মতামত শেয়ার করার জন্য পুর নিগমের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার প্রত্যেক নাগরিকের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন৷
বিশ্বের উন্নতমানের শহর গুলিকে র্যাঙ্কিং এর মাধ্যমে বিশ্বাসীর কাছে তুলে ধরার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে৷ প্রত্যেক দেশের রাজধানী রাজ্যের রাজধানী ও স্মার্টসিটি যেখানে ১০ লক্ষ্যের বেশি মানুষ বসবাস করেন সেইসব শহরকেই র্যাঙ্কিং এর আওতায় আনা হয়৷ ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলা শহরকেও স্মার্ট সিটি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে উন্নয়নের কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলেছে৷ যেকোন দেশ বা রাজ্যের ও পর্যটনক্ষেত্রের বিকাশ৷ বিশেষত আয় উপার্জন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এই দুটি ক্ষেত্র অন্যতম ভূমিকা পালন করে থাকে৷ র্যাঙ্কিং এ যেসব শহর তালিকার প্রথম সারিতে ও শীর্ষে যাকে সেইসব রাজ্যে শিল্প উদ্যোগীরা শিল্প স্থাপনে আগ্রহী হন৷ পর্যটকদের আগমনও বৃদ্ধি পায়৷
যে কথা মাথায় রেখেই আগরতলা পুর নিগম আগরতলা স্মার্ট সিটিকে র্যাঙ্কিং এ তালিকার সামনের সারিতে নিয়ে যাবার জন্য প্রত্যেক নাগরিকের কাছে সহযোগিতা চেয়েছে৷ এই শহরের সাচ্ছন্দ্য জীবন যাপন, পরিবেশ, বাসস্তান, জনসংখ্যা, বিদ্যুৎ ও পানীয় জলের ব্যবস্থাসহ অন্যান্য মোট ১৫টি বিষয় নিয়ে পুর নিগম প্রদেয় বারকোড তথা লিঙ্কের মাধ্যমে মতামত শেয়ার করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন পুর নিগমের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার৷ সাংবাদিক সম্মেলন করে তিনি জানান, গত বছর পুর নিগম কিছু ডাটা শেয়ার করেছি৷ এবছর প্রত্যেক নাগরিক যাতে ব্যক্তিগত ভাবে নিজের প্রিয় শহর সম্পর্কে শেয়ার করতে পারেন সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে৷ এর ফলে র্যাঙ্কিং-এ আগরতলা স্মার্টসিটি প্রথম সারিতে পৌঁছতে সক্ষম হবে বলেও তিনি আশা ব্যক্ত করেন৷ র্যাঙ্কিংএ আগরতলা স্মার্টসিটি তালিকায় স্থান পেলে এ রাজ্যে শিল্প স্থাপনের পথ প্রশস্থ হবে৷ পর্যটকদের আগমনও বৃদ্ধি পাবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না৷


















