নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৮ সেপ্ঢেম্বর৷৷ রাজ্যে নারী নির্যাতন প্রতিদিনকার ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ প্রতিদিনই রাজ্যে কোথাও না কোথাও গৃহবধূরা শ্বশুরবাড়িতে নির্যাতিতা, নিপীড়িত, লাঞ্ছিত হচ্ছেন৷ অনেক সময় আত্মহত্যা কিংবা মেরে ফেলার ঘটনাও ঘটছে৷ এমনই এক ঘটনা ঘটেছে শ্রীনগর থানাধীন জারুলবাচাই এলাকায়৷ জানা গেছে, সামাজিক রীতিনীতি মেনে বিয়ে হয়েছিল বক্সনগরের বুল্টি আক্তারের সাথে জারুলবাচাইয়ের এরশাদ মিয়ার সাথে৷ প্রথম অবস্থায় সব কিছু ঠিকঠাক চলল্যে কিছুদিন পর থেকে শুরু হয় বুল্টির ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন৷ অভিযোগ, স্বামী, জা এবং শাশুড়ি মিলিতভাবে বুল্টির উপর অত্যাচার করতো৷
অভিযোগ, পণের জন্য বুল্টির উপর অত্যাচার করতো তারা৷ বাপের বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে আসার জন্য বুল্টির ওপর চাপ দিত বুল্টির শ্বশুর বাড়ির লোকেরা৷ প্রতিদিনের মতো শুক্রবারও বুল্টির উপর অত্যাচার করেছিল স্বামী, শাশুড়ি এবং জা৷ এদিন অত্যাচারের পরিমাণ এতটাই বেশি ছিল যে বুল্টি অচৈতন্য হয়ে পড়েছিল৷ ধারণা করা হচ্ছে বুল্টির শ্বশুরবাড়ির লোকেরা তাকে বিবস্ত্র করে বাড়ির পাশের জঙ্গলে ফেলে দিয়ে যায়৷ কারণ শনিবার প্রতিবেশীরা যখন তাদের বাড়ির পাশের জঙ্গল থেকে তাকে উদ্ধার করে তখন বুল্টির শরীরে জামাকাপড় ছিল না জানান প্রতিবেশীরা৷ তাদের ধারণা, বুল্টির উপর শারীরিক নির্যাতন করে তাকে জঙ্গলে ফেলে রাখে তার শ্বশুরবাড়ির লোকেরা৷ পরে বুল্টিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ বর্তমানে তার চিকিৎসা চলছে জি বি হাসপাতালে৷ এদিকে, বুল্টির বাপের বাড়ির লোকেরা অভিযোগ করেছেন, পণের জন্য বুল্টির শ্বশুরবাড়ির লোকেরা তার ওপর নির্যাতন করেছে৷ বিষয়টি নিয়ে পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে৷


















