ছেচরীমাইয়ে জাতীয় সড়কের অবস্থা করুণ, ঝঁুকিতে যাতায়াত

নিজস্ব প্রতিনিধি, চড়িলাম, ২৩ ফেব্রুয়ারি৷৷ বর্ষা এখনো শুরু হয়নি৷ কিন্তু এদিকে অল্প বৃষ্টিতেই ছেচরীমাই এলাকার উপর

ছেচরীমাই এলাকায় জাতীয় সড়কের বেহাল অবস্থা৷ ছবি নিজস্ব৷

জাতীয় সড়ক মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে৷ সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তা দিয়ে বড় বড় গাড়িগুলি চলাচল করতে পারে না৷ কেএমসি কর্তৃপক্ষের আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে জাতীয় সড়ক নির্মাণ করলেও নিত্যদিন নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে গাড়ির চালক ও দূরপাল্লার যাত্রীদের৷ যদিও কেএমসি সংস্থা দ্রুতগতিতে কাজ চালাচ্ছে৷ এই সংস্থার বহু অভিযোগ ও গাফিলতির ফলে নিত্যযাত্রী থেকে শুরু করে সাধারণ জনগণের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে৷ সামান্য বৃষ্টির ফলে রাস্তাটি খুব করুণ দশা হয়ে যায় যার এমনই একি চিত্র ধরা পড়েছে৷ বৃহস্পতিবার অফিস টাইমে সরকারি কর্মচারীরা খুব বিপদে পড়েছে৷ যাত্রীবাহী একটি বাস মাঝরাস্তায় আটকে পড়ে৷ তখনই চড়িলামের ছেচরীমাই এলাকা থেকে পরিমল চৌধুরী এলাকা পর্যন্ত টানা দুঘন্টা যান চলাচল স্তব্ধ হয়ে পড়ে৷ দীর্ঘ লাইন লেগে যায় অসংখ্য গাড়ির৷ দেখা যায় যান চলাচল যখন স্তব্ধ হয়ে পড়ে তখন রাস্তা সংস্কারের জন্য কেএমসি সংস্থার তরফ থেকে কোন প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি৷ বিশ্রামগঞ্জের পুষ্করবাড়ি এলাকা থেকে শুরু হয়ে চড়িলাম পরিমল চৌমুহনীর ব্রীজ সংলগ্ণ এলাকা পর্যন্ত জাতীয় সড়কের অবস্থা ভরে উঠেছে খানাখন্দে ও কাঁদামাটিতে গর্তগুলি জলে পরিপূর্ণ হয়ে থাকায় চালকরা মুশকিলে পড়েছে৷
অপরদিকে ৪৪নং জাতীয় সড়কের বেহাল অবস্থার কথা জানিয়ে চড়িলাম ও বিশ্রামগঞ্জের বহু জনগণ র াজ্যের প রিবহন ও বিশ্রামগঞ্জের জেলা আধিকারিককে এই সমস্যার কথা জানিয়েছে৷ সড়ক মেরামতির আশ্বাস মিললেও এখনো কাজের কাজ কিছুই হয়নি৷ এই এলাকায় ক্ষোভের সঞ্চার ঘটেছে৷ অবাক করার বিষয় হল এত অভিযোগ জাতীয় সড়কের এত সব ঘটনার পরেও কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে আজ কোন প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি৷ হালকা মাঝারি বৃষ্টিকেই এই অবস্থা জাতীয় সড়কের সামনেই বর্ষা তখন কি অবস্থা হলে জাতীয় সড়কের সেটাই এখন বড় প্রশ্ণ৷