নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৩১ ডিসেম্বর৷৷ বাংলাদেশকে বিদ্যুৎ দেওয়া নিয়ে বিক্রয় মূল্য এখনো চূড়ান্ত না হওয়ায় শুক্রবার নতুন বছর শুরু হয়ে গেলেও ত্রিপুরা থেকে বাংলাদেশকে বিদ্যুৎ দেওয়া হবে তা অনিশ্চিয়তার মুখে পড়েছে৷ ইতিমধ্যে বিদ্যুৎ সম্প্রসারণে পরিবাহী তার বসানোর কাজ সম্পন্ন হয়ে গেছে৷ ট্রান্সমিশন সংক্রান্ত সমস্ত বিষয় পরীক্ষা নিরীক্ষাও সম্পন্ন হয়েছে৷ ফলে, কেবলমাত্র বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ না হওয়ায় আনুষ্ঠানিক ভাবে বাংলাদেশকে বিদ্যুৎ দেওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না৷
মূলত ত্রিপুরা থেকে ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দেওয়া হবে বাংলাদেশকে৷ পালাটানা প্রজেক্ট তৈরি করার ক্ষেত্রে আশুগঞ্জ বন্দর দিয়ে যন্ত্রপাতি আনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যেভাবে ভারত সরকারকে সহায়তা করেছে তারই প্রতিদান হিসেবে ত্রিপুরা থেকে ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ ইতিমধ্যে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছে বাংলাদেশে৷ সে দেশের জনগণের ভাবাবেগকে মর্যাদা দিয়ে বাংলাদেশের বিজয় দিবসের দিন ত্রিপুরা থেকে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছিল৷ এখন পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ সংশ্লিষ্ট সমস্ত ধরনের পরীক্ষা নিরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে৷ পালাটানাও বিদ্যুৎ সরবরাহে প্রস্তুত৷ সে মর্মে ত্রিপুরার সূর্যমণিনগর থেকে বাংলাদেশের কুমিল্লা সাবস্টেশন পর্যন্ত বিদ্যুৎ পরিবাহী লাইন বসানোর কাজ উভয় অংশে সম্পন্ন হয়েছে৷ বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে যান্ত্রিক অন্যান্য বিষয়েও পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখা হয়েছে৷ কিন্তু বিদ্যুতের বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ নিয়ে উভয় দেশের মধ্যে চূড়ান্ত কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়ে ওঠেনি৷
সূত্র অনুসারে জানা গেছে, এনিয়ে খুব শীঘ্রই দুই দেশের মধ্যে পুনরায় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে৷ ঐ বৈঠকে বিদ্যুতের বিক্রয়মূল্য চূড়ান্ত করার বিষয়ে উভয় দেশই আশাবাদী৷ এরপরই আনুষ্ঠানিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহের দিন ঘোষণা করা হবে বলে সূত্র অনুসারে জানা গেছে৷


















