আজ দেশব্যাপী ধর্মঘট, পক্ষে বিপক্ষে জোর প্রচার

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৫ নভেম্বর৷৷ কেন্দ্রীয় সরকারের নয়া কৃষি আইন এবং শ্রম আইনের বিরোধিতা করে ২৬ নভেম্বর দেশব্যাপী ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বামপন্থী দশটি ট্রেড ইউনিয়ন৷ এই ধর্মঘটের বিরোধিতা করে বুধবার শহরে শাসক দলের বিধায়ক রামপসাদ পালের নেতৃত্বে এক বাইক মিছিল হয়৷ মিছিলের একদিকে যেমন উদ্দেশ্য ছিল ধর্মঘটের বিরোধিতা করা, আবার অপরদিকে ছিল শক্তির মহড়া প্রদর্শন৷


এদিন রবীন্দ্র ভবনের সম্মুখ থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে কের চৌমুহনি, দুর্গা চোমুনি, লেইক চৌমুহনি, বটতলা সহ বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে এ ডি নগর পুলিশ গ্রাউন্ডে মিছিলটি শেষ হয়৷ মিছিলে নেতৃত্ব দেন বিধায়ক রামপসাদ পাল৷ তিনি বলেন, বিরোধীদের ডাকা কর্মনাশা ধর্মঘটকে কেন্দ্র করে এই মিছিল৷ মিছিলে শহরবাসীকে বার্তা দেওয়া হয়েছে যাতে আগামী ২৬ নভেম্বর রাজ্যের বাজার হাট, গাড়ি-ঘোড়া, অফিস-আদালত সমস্ত কিছু খোলা থাকবে৷ থাকবে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থাও৷ সকলে এদিন কর্মস্থলে যোগদান করার আহ্বান জানান তিনি৷ উপরন্তু এই বনধ গরিব অংশে মানুষদের জন্য শোভনীয় নয়৷ বিভিন্ন মন্ডলের কর্মীরা বাইক মিছিলে সামিল হলেও বড় মাপের অন্যকোন নেতৃত্বকে মিছিলে সামিল হননি৷ দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ণ৷ এক নেতৃত্বের ডাকে ধর্মঘটের আগের দিন করা হয়েছে এত বড় মিছিল৷ কিন্তু নেতৃত্বের একটিই মুখ বিধায়ক রামপসাদ পাল৷ আরো বলেন, করোনা পরিস্থিতির জন্য আর্থিক অবস্থার উদ্বেগজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়ে আছে৷

এদিকে, ধর্মঘটকে প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ে বুধবার সন্ধ্যায় আগরতলা শহরে মিছিল সংগঘটিত করেছে ত্রিপুরা সরকারী কর্মচারী সংগঠন৷ এছাড়া বিজেপির বিভিন্ন সংগঠনের তরফ থেকে রাজ্যের সমস্ত জায়গায় বাজারে বাজারে প্রচার করা হয়েছেধর্মঘট প্রতিহত করার জন্য৷
তবে বনধ’কে কেন্দ্র করে জনমনে দেখা দিয়েছে আতঙ্ক৷ কারণ বামপন্থীরা বলছে ধর্মঘট শ্রমজীবী অংশে মানুষের স্বার্থে পালন করতে, আবার রামপন্থীরা বলছে সমস্ত কিছুই খোলা থাকবে৷ ধর্মঘট না মানার জন্য৷ এখন দেখার বিষয় আতঙ্কগ্রস্ত জনগণ ২৬ নভেম্বর কোন পথে পরিচালিত হয়৷