
নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৮ সেপ্ঢেম্বর৷৷ কাছাড় পুলিশের জালে পড়েছে চার বাংলাদেশি৷ ধৃত চার ব্যক্তি বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা৷ তাদের নান রিপন খান (৩২), মহাম্দ আসাদ-উদ জামান (৩৯), সুমন ফকির (৩০) এবং জামাল মুন্সি৷ এছাড়া এক জন পালিয়ে গেছে৷ তার নাম নাম কবির মহম্মদ সরদার৷
পুলিশের তথ্য, এরা সবাই বৈধ পাসপোর্ট নিয় ভারতে প্রবেশ করেছে৷ তাই বিদেশি তকমা লাগানো যাবে না৷ তাদের ধরা হয়েছে সৌদি আরবের টাকা দেখিয়ে বরাক উপত্যকার বিভিন্ন এলাকার মানুষের কাছ থেকে অর্থ লুটের অভিযোগের ভিত্তিতে৷ পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা ২০১৬ সাল থেকে ভারতে পায়ই যাতায়াত করছে৷ প্রতি দু মাসে একবার ভারতের ভিসা নিয়ে আসা-যাওয়া করে এরা৷ তাদের আস্তানা ছিল শিলচরের রাঙ্গিরখাড়ি এলাকায় মনসা হোটেল৷ পাঁচ দলের চারজনকে ধরতে পেরেছে পুলিশ৷
পুলিশের বক্তব্য, এই চক্রটি গ্রামের মানুষকে অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ লোপাট করতো৷ ধৃতরা সাধারণ মানুষকে পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা বলে পরিচিতি দিয়ে সময় সময় বিভিন্ন কোম্পানির সিম ব্যবহার করত৷ পুলিশ তাদের কাছ থেকে বেশ কয়েকটি মোবাইল হ্যান্ডসেট, এটিএম কার্ড ইত্যাদি বাজেয়াপ্ত করেছে৷ সঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে কিছু জাল আরবি নোট, চিকিৎসা সংক্রান্ত বিভিন্ন জাল নথিপত্র৷ তাদের সূত্র ধরে অনেক বিষয়ের তথ্য ফাঁস করতে পারবে বলে ধারণা করছে পুলিশে৷
এখানে উল্লেখ্য, ভারতের দু’লক্ষ টাকা দিলে সৌদি আরবের এক লক্ষ রিয়াল পাইয়ে দেয় তারা৷ কারণ এক লক্ষ সৌদি রিয়ালের ভারতীয় মূল্য ১৯ লক্ষ টাকা৷ এভাবেই মানুষকে ঠকানোর একটি চক্র চালাত পাঁচ বাংলাদেশি নাগরিক৷ ২০১৬ সাল থেকে তারা এ কাজে এখানে নিয়োজিত, জানিয়েছে পুলিশ৷



















