নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৫ জুন ৷৷ উত্তর জেলা পুলিশ সুপার অভিযানে বের হয়ে গ্যাস কেলেঙ্কারির কারণ এবং নায়কদের গ্রেপ্তার করলেন৷ দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহকদের অভিযোগ ছিল গ্যাসের সিলিন্ডারে যতটুকু গ্যাস থাকার কথা গ্রাহকরা তাদের হিসেব মতো ততটুকু পাচ্ছে না৷ এই অভিযোগের ভিত্তিতে উত্তর জেলার পুলিশ সুপার ভানুপদ চক্রবর্তী অনুসন্ধান শুরু করেন৷ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন গ্যাস সিলিন্ডারের গাড়িগুলিকে দাঁড় করিয়ে রাতের অন্ধকারে পানিসাগর থানাধীন এলাকার নোয়াগাং ও রামনগর এলাকায় সিলিন্ডারে গ্যাস কমানো এবং খালি সিলিন্ডার ভরানোর কাজ চলে৷

মঙ্গলবার রাতে পুলিশ সুপার এবং পানিসাগরের এসডিপিও নেতৃত্বে এই দুই এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনটি গ্যাসের গাড়ি, ৫ জন শ্রমিক এবং একজন চালককে আটক করে৷ বাকি দু’জন চালক পালিয়ে যায়৷ এই তিনটি ট্রাকই শিলচর থেকে গ্যাস নিয়ে আগরতলা এবং অমরপুরের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল৷ পাঁচজন শ্রমিক দেবেশ দাস (২৪), দীপু দাস (২৪), পরিতোষ দাস (২২), ভবতোষ দাস (২৪) এদের প্রত্যেকেরই বাড়ি পানিসাগর থানাধীন পেকুছড়াতে এবং নয়ন দাস (২৫)-এর বাড়ি শিলচরে৷ তিনটি গ্যাসবাহী লরি এস-আইআইসিসি-৪৮৭৯, এএস-আইআইওসি-১৮০০ এবং টিআর-০১সি-১৮৬৬ আটক করে পানিসাগর থানায় রাখা হয়েছে৷ চালক প্রাণজিৎ দাসকে আটক করা হয়েছে-তার বাড়িও পেকুছড়াতে৷
সাধারণত প্রতিটি লরিতে ৩০৬টি করে সিলিন্ডার থাকে, কিন্তু ২০ সিলিন্ডার খালি পাওয়া গেছে যেগুলি গ্যাস ভরা হবে৷ পরিবর্তে ২০ সিলিন্ডার বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে৷ ৪টি মেশিন এবং প্রচুর পরিমাণে গ্যাস সিলিন্ডারের কর্ক পাওয়া গেছে৷ মেশিনগুলি দিয়ে অনায়াসেই এক সিলিন্ডার থেকে অন্য সিলিন্ডারে গ্যাস পাঠানো যায়৷ পুলিশ সুপার জানান তাদের বিরুদ্ধে ৩৬/১৯-এ মামলা নেওয়া হয়েছে এবং স্পেশাল কেইস হিসাবে বিবেচনা করে এমন ধারা দেওয়া হবে যাতে জামিন না পায়৷



















