আগরতলা, ২২ সেপ্টেম্বর: রুটিন তল্লাশি ও নেশাবিরোধী অভিযানের মধ্যেই ফের অনলাইন পণ্যবাহী কন্টেইনারে নেশার সামগ্রী পাচারের চেষ্টা ভেস্তে দিল অসম পুলিশের চুরাইবাড়ি ওয়াচ পোস্টের পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে গুয়াহাটি থেকে আগরতলাগামী একটি কন্টেইনার গাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ এসকাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়। ঘটনায় গাড়ির চালককে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুর প্রায় ২টা নাগাদ এএস – ০১ – আর সি – ৯৯২৮ নম্বরের একটি কন্টেইনার গাড়ি চুরাইবাড়ি ওয়াচ পোস্টে আসে। গাড়িটিতে ফ্লিপকার্ট কোম্পানির অনলাইন পণ্য সামগ্রী রয়েছে বলে জানানো হয়। রুটিন তল্লাশির সময় পুলিশের সন্দেহ হওয়ায় গাড়িটি আটক করে তল্লাশি শুরু করা হয়।
চুরাইবাড়ি ওয়াচ পোস্টের ইনচার্জ নিরঞ্জন দাসের নেতৃত্বে পুলিশ গাড়িটিতে তল্লাশি চালায়। তল্লাশির সময় অনলাইন পণ্য সামগ্রীর আড়ালে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রাখা মোট ১৫টি কার্টন উদ্ধার করা হয়। কার্টনগুলিতে ফ্লিপকার্ট ও মেসো অনলাইনের লোগো ব্যবহার করা ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশের দাবি, প্রতিটি কার্টনের ভিতরে ছিল ১৫০টি করে এসকাফ সিরাপের বোতল। ১৫টি কার্টন থেকে মোট ২,২৫০ বোতল এসকাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া নেশার সিরাপের কালোবাজারি মূল্য আনুমানিক ২২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বলে জানিয়েছেন চুরাইবাড়ি ওয়াচ পোস্টের ইনচার্জ।
এই ঘটনায় কন্টেইনার গাড়ির চালককে আটক করেছে পুলিশ। ধৃত চালকের নাম বিপ্লব দাস। তাঁর পিতার নাম বিজন দাস। তিনি শ্রীভূমি জেলার বাজারীছড়া থানার অন্তর্গত রাধাপিয়ারী গ্রামের বাসিন্দা বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া নেশার সামগ্রী এবং গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ধৃত চালকের বিরুদ্ধে এনডিপিএস আইনে মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করা হবে। এই নেশার সামগ্রী কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে আরও কারা জড়িত রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অনলাইন পণ্য পরিবহনের আড়ালে নেশার সামগ্রী পাচারের এই ঘটনায় ফের চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সীমান্তবর্তী চুরাইবাড়ি এলাকায়।



















