News Flash

  • Home
  • উত্তর-পূর্বাঞ্চল
  • বন শহিদদের শ্রদ্ধা জানালেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী, অরণ্যরক্ষায় ‘বন দুর্গা’র ভূমিকার প্রশংসা
Image

বন শহিদদের শ্রদ্ধা জানালেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী, অরণ্যরক্ষায় ‘বন দুর্গা’র ভূমিকার প্রশংসা

গুয়াহাটি, ১১ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): জাতীয় বন শহিদ দিবস উপলক্ষে কর্তব্যরত অবস্থায় প্রাণ হারানো বনকর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। বন ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় বনকর্মীদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, অসম সরকার বন সংরক্ষণ আরও শক্তিশালী করা এবং রাজ্যের বন্যপ্রাণী ও প্রাকৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বৃহস্পতিবার জাতীয় বন শহিদ দিবস উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বার্তায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “জাতীয় বন শহিদ দিবসে আমাদের বন, বন্যপ্রাণী ও প্রাকৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় যারা সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করেছেন, তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই।”

তিনি বলেন, বন শহিদদের সাহস ও আত্মত্যাগ আগামী প্রজন্মের জন্য অসমের বনাঞ্চল রক্ষার অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। তাঁদের দেখানো পথ অনুসরণ করে বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের কাজ আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন মুখ্যমন্ত্রী।

অসম সরকারের বন সংরক্ষণ উদ্যোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল বনরক্ষার কাজে মহিলাদের আরও বেশি যুক্ত করা। এই লক্ষ্যেই ‘বন দুর্গা’ দলকে সামনের সারির বন সুরক্ষার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। বন দুর্গার সদস্যরা ঝুঁকিপূর্ণ বনাঞ্চলে টহল দেওয়া, নজরদারিতে সহায়তা, বন অপরাধের তথ্য জানানো, বন্যপ্রাণী সুরক্ষায় সহযোগিতা এবং সংরক্ষিত বনাঞ্চলে নিয়মিত মাঠপর্যায়ে উপস্থিতি বজায় রাখার মতো বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করছেন।

মুখ্যমন্ত্রীর প্রকাশ করা ছবিতেও বন দুর্গার সদস্যদের বনাঞ্চলের ভিতরে টহল ও সুরক্ষার কাজে অংশ নিতে দেখা যায়।

অসমে বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের জন্য রয়েছে বিস্তৃত সুরক্ষিত এলাকা। রাজ্যের বন দফতরের তথ্য অনুযায়ী, অসমে পাঁচটি জাতীয় উদ্যান, ২০টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, তিনটি ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কেন্দ্র এবং পাঁচটি হাতি সংরক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে।

বন দফতরের সামগ্রিক সংরক্ষণমূলক কাজের মধ্যে রয়েছে বন ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল রক্ষা ও ব্যবস্থাপনা, বৃক্ষরোপণ, অবক্ষয়িত বনাঞ্চলের পুনরুদ্ধার, বনসৃজন এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।

প্রতি বছর ১১ সেপ্টেম্বর জাতীয় বন শহিদ দিবস পালন করা হয়। বন ও বন্যপ্রাণী রক্ষার কাজে কর্তব্যরত অবস্থায় প্রাণ হারানো বনকর্মীদের স্মরণে এই দিনটি পালন করা হয়।

মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার বার্তায় এদিন স্পষ্টভাবে উঠে আসে, বন সংরক্ষণ শুধু সংরক্ষিত এলাকা বা পরিকাঠামো গড়ে তোলার বিষয় নয়। বনাঞ্চলে প্রতিদিন দায়িত্ব পালনকারী কর্মী, যারা বিভিন্ন ঝুঁকি মোকাবিলা করে টহল দেন এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় মাঠপর্যায়ে কাজ করেন, তাঁরাও সংরক্ষণ ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

Releated Posts

প্রথম ভারত সফরে গুয়াহাটিতে গোরিলাজ, ২০২৭-এর ৩১ জানুয়ারি হবে কনসার্ট: হিমন্ত

গুয়াহাটি, ১০ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): কিংবদন্তি ব্রিটিশ ভার্চুয়াল ব্যান্ড গোরিলাজ প্রথমবারের মতো ভারত সফরে আসছে। আগামী ৩১ জানুয়ারি, ২০২৭…

ByByNews Desk Sep 10, 2026

২০২৯ সালের মধ্যে ‘মিশন শিক্ষিত অরুণাচল’-এর লক্ষ্য পূরণের লক্ষ্যে সরকার: মুখ্যমন্ত্রী খাণ্ডু

ইটানগর, ১০ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): ২০২৯ সালের মধ্যে ‘মিশন শিক্ষিত অরুণাচল’-এর লক্ষ্য পূরণের লক্ষ্যে রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কার…

ByByNews Desk Sep 10, 2026

‘অসমে সরকারি স্কুলের ধারণাই বদলে দিয়েছি’: আদর্শ বিদ্যালয় নিয়ে হিমন্ত বিশ্বশর্মা

গুয়াহাটি, ১০ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): আদর্শ বিদ্যালয় উদ্যোগের মাধ্যমে অসমে সরকারি স্কুল সম্পর্কে প্রচলিত ধারণা বদলে দেওয়া হয়েছে বলে…

ByByNews Desk Sep 10, 2026

মেঘালয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য নতুন নিয়ম, হয়রানি নয়—কল্যাণে জোর সরকারের

শিলং, ১০ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): পরিযায়ী শ্রমিকদের শনাক্তকরণ, নথিভুক্তিকরণ, নিরাপত্তা ও সুরক্ষা সংক্রান্ত নিয়মে সংশোধন আনল মেঘালয় সরকার। বৃহস্পতিবার…

ByByNews Desk Sep 10, 2026

Leave a Reply

Scroll to Top