জয়পুর, ৯ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): কড়া নিরাপত্তার মধ্যে বুধবার সকাল ৭টা থেকে রাজস্থানের নগর স্থানীয় সংস্থা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। ভোটগ্রহণ চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।
প্রথম দফায় ৩৯টি জেলার মোট ১৬২টি নগর স্থানীয় সংস্থায় ভোট হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৩১টি পুরসভা, ২৭টি পুর পরিষদ এবং চারটি পুরনিগম—ভরতপুর, আলওয়ার, বিকানের ও ভিলওয়ারা।
এই দফায় ৫৭.৫২ লক্ষেরও বেশি ভোটার ২০,৬২৩ জন প্রার্থীর রাজনৈতিক ভাগ্য নির্ধারণ করবেন। মোট ৫,৩৯৩টি ওয়ার্ডের জন্য ৬,৯৩০টি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে ৭,০৬৭টি বুথ তৈরি করা হয়েছে।
চারটি পুরনিগমের মোট ২৭৯টি ওয়ার্ডেও এই দফায় ভোট হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ৩২টি ওয়ার্ডে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। চার পুরনিগমের ৭৩টি ওয়ার্ডে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে সরাসরি লড়াই হচ্ছে। ৭৬টি ওয়ার্ডে ত্রিমুখী এবং ১৩০টি ওয়ার্ডে বহুমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা রয়েছে।
ভোটগ্রহণ শুরুর আগেই বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে ভোটারদের লম্বা লাইন দেখা যায়। আলওয়ারে শহরের ৬৫টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচনের জন্য সকাল থেকেই ভোটাররা বুথে পৌঁছতে শুরু করেন। ডাক বাংলো ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই জয়প্রকাশ শর্মা প্রথম ভোট দেন।
মুখ্যমন্ত্রী ভজনলাল শর্মা রাজ্যের মানুষকে উৎসাহের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নিয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। বিশেষ করে প্রথমবার ভোট দিতে চলা তরুণদের বিপুল সংখ্যায় ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার পাশাপাশি পরিবার ও পরিচিতদেরও ভোটদানে উৎসাহিত করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
ভোটগ্রহণ সংক্রান্ত অভিযোগ ও অন্যান্য নির্বাচনী বিষয়ে রিপোর্ট জানানোর জন্য রাজ্য নির্বাচন কমিশন ০১৪১-২২২৭৪০৭ নম্বরে একটি কন্ট্রোল রুম চালু করেছে।
নির্বাচন কমিশন ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আগে ভোটার তালিকায় নিজেদের নাম এবং ভোটকেন্দ্রের তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দিয়েছে। কমিশনের সরকারি ওয়েবসাইটে থাকা ‘সার্চ ভোটার’ পরিষেবার মাধ্যমে এই তথ্য যাচাই করা যাবে।
এদিকে, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ভোটার স্লিপ বিতরণের ব্যবস্থা না থাকায় মঙ্গলবার রাজনৈতিক দলের কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার স্লিপ বিতরণ করেন। ভোটারদের মধ্যেও নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে যথেষ্ট উৎসাহ দেখা গিয়েছে।
–আইএএনএস



















