News Flash

  • Home
  • বিদেশ
  • সমতা ও পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক পুনর্গঠনের সময়
Image

সমতা ও পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক পুনর্গঠনের সময়

ঢাকা, ২৭ আগস্ট (আইএএনএস): বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক বর্তমানে এক জটিল, কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ২০২৪ সালের পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তন, অমীমাংসিত জল ও সীমান্ত সমস্যা এবং বাণিজ্য ও যোগাযোগ নিয়ে দীর্ঘদিনের মতপার্থক্য—সব মিলিয়ে দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েনের ধারণা তৈরি হয়েছে। তবে সম্পর্ককে শুধুমাত্র ‘উত্তেজনাপূর্ণ’ হিসেবে দেখলে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা উপেক্ষিত হয়—দুই দেশই গভীরভাবে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত এবং দীর্ঘমেয়াদি বৈরিতার সম্পর্ক কোনও পক্ষেরই স্বার্থে নয়।

বর্তমান পরিস্থিতিতে পুরনো দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মডেলে ফিরে যাওয়ার পরিবর্তে সমতা, পারস্পরিকতা, সার্বভৌমত্ব এবং স্পষ্ট পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে নতুন সম্পর্ক গড়ে তোলাই বড় চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশ যেমন ভারতের প্রয়োজন অনুভব করে, তেমনই ভারতেরও একটি স্থিতিশীল, সমৃদ্ধ ও সহযোগিতাপ্রবণ বাংলাদেশ প্রয়োজন। এই পারস্পরিক নির্ভরতার স্বীকৃতিই আরও পরিণত সম্পর্কের ভিত্তি হতে পারে।

২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রভাব স্বাভাবিকভাবেই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে পড়েছে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির ভবিষ্যৎ গতিপথ নিয়ে ভারত উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। অন্যদিকে বাংলাদেশের বহু মানুষ মনে করেন, পূর্ববর্তী রাজনৈতিক ব্যবস্থার সঙ্গে ভারত অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিল। এই ধারণাগুলিও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিদেশনীতি শুধু সরকারের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে পরিচালিত হয় না, দুই দেশের সাধারণ মানুষের পারস্পরিক আস্থাও তার ওপর প্রভাব ফেলে। তাই উভয় দেশেরই রাষ্ট্রীয় সম্পর্ককে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমীকরণ থেকে আলাদা রাখার স্বার্থ রয়েছে।

এর অর্থ গত দেড় দশকের সহযোগিতার অর্জনকে অস্বীকার করা নয়। বাংলাদেশ ও ভারত বাণিজ্য, পরিবহণ, বিদ্যুৎ, নিরাপত্তা এবং মানুষের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিস্তৃত সহযোগিতা গড়ে তুলেছে। রেল, সড়ক ও অভ্যন্তরীণ জলপথের যোগাযোগও সম্প্রসারিত হয়েছে। কৌশলগত দিক থেকে এই আন্তঃনির্ভরতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক অবস্থানে রয়েছে। তিন দিক দিয়ে ভারতবেষ্টিত বাংলাদেশ ভারতের জন্য বঙ্গোপসাগরে সম্ভাব্য প্রবেশাধিকার এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলে তুলনামূলক সংক্ষিপ্ত যোগাযোগপথ তৈরি করতে পারে। অন্যদিকে ভারত বাংলাদেশের জন্য বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ভোক্তা বাজারে প্রবেশের সুযোগ দেয়। তাই যোগাযোগকে এক পক্ষের দেওয়া ‘সুবিধা’ হিসেবে নয়, বরং উভয়ের যৌথ সম্পদ হিসেবে দেখা প্রয়োজন।

বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও একই সম্ভাবনা ও সমস্যার প্রতিফলন রয়েছে। ভারত বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার হলেও দুই দেশের বাণিজ্য ঐতিহাসিকভাবে ভারতের অনুকূলে রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে ভারতে রফতানি তুলনামূলকভাবে অনেক কম। কিছু ক্ষেত্রে শুল্ক সুবিধা রফতানি বাড়াতে সাহায্য করলেও অশুল্ক বাধা, শংসাপত্রের প্রয়োজনীয়তা এবং দুর্বল লজিস্টিক ব্যবস্থা এখনও বাংলাদেশের রফতানি বৃদ্ধিতে বাধা সৃষ্টি করছে।

আরও ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্কের অর্থ কৃত্রিমভাবে বাণিজ্য ঘাটতি দূর করা নয়। বরং বাংলাদেশের রফতানি বৃদ্ধির পথে কাঠামোগত বাধাগুলি দূর করতে কাস্টমস ব্যবস্থা উন্নত করা, মানদণ্ডের পারস্পরিক স্বীকৃতি এবং বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব বাড়ানো প্রয়োজন। এর ফলে ভারতও বাংলাদেশের উৎপাদন ব্যবস্থার সঙ্গে আরও গভীরভাবে যুক্ত হতে পারবে এবং বাংলাদেশ পাবে বিনিয়োগ ও প্রযুক্তির সুযোগ।

জ্বালানি ক্ষেত্রেও পারস্পরিক স্বার্থের বাস্তব উদাহরণ রয়েছে। বাংলাদেশ ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করেছে এবং ভারতীয় সংস্থাগুলি বাংলাদেশের জ্বালানি ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করেছে। এই আন্তঃনির্ভরতা স্থিতিশীলতার উৎস হতে পারে। একইসঙ্গে বাংলাদেশকে নিজের জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য বাড়িয়ে যেতে হবে, যা ভারতের প্রতি বিরূপ অবস্থান নয়, বরং জাতীয় স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধির স্বাভাবিক পদক্ষেপ।

তবে সবচেয়ে সংবেদনশীল বিষয়গুলির একটি হল জল। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। ফলে জল সহযোগিতা দুই দেশের সম্পর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। ১৯৯৬ সালের গঙ্গার জলবণ্টন চুক্তি দেখিয়েছিল যে আলোচনার মাধ্যমে কঠিন সমস্যার সমাধান সম্ভব। কিন্তু তিস্তা চুক্তি এখনও অমীমাংসিত থাকায় বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের হতাশা রয়েছে। উত্তর বাংলাদেশের কৃষি ও জলনিরাপত্তার সঙ্গে এই সমস্যার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। অন্যদিকে ভারতের, বিশেষত পশ্চিমবঙ্গের কৃষি ও রাজনৈতিক স্বার্থও এর সঙ্গে জড়িত। ফলে বিষয়টি কঠিন হলেও সমাধানের অযোগ্য নয়।

গঙ্গা চুক্তির অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে জল কূটনীতিতে আরও শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা, স্বচ্ছতা এবং ধারাবাহিক রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন। গঙ্গা চুক্তির আসন্ন নবীকরণকে শূন্য-সম ভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বেরিয়ে বৃহত্তর আন্তঃসীমান্ত নদী ব্যবস্থাপনার সুযোগ হিসেবে দেখা যেতে পারে। যৌথ জলবিজ্ঞান সংক্রান্ত তথ্য, বন্যার পূর্বাভাস এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর মতো বিষয়গুলিতে সহযোগিতা বাড়ানো জরুরি।

সীমান্ত ব্যবস্থাপনাও দুই দেশের সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ নিয়ে ভারতের উদ্বেগ রয়েছে। অন্যদিকে সীমান্তে সাধারণ নাগরিকদের মৃত্যু এবং প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহারের বিষয় নিয়ে বাংলাদেশ বারবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। কোনও পক্ষেরই অন্য পক্ষের উদ্বেগকে প্রচার হিসেবে উড়িয়ে দেওয়া উচিত নয়। সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার পাশাপাশি সীমান্তে অপ্রয়োজনীয় হিংসা কমাতে প্রাণঘাতী নয় এমন প্রযুক্তির ব্যবহার, যৌথ তদন্ত এবং সংগঠিত অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে সমন্বিত পদক্ষেপ বাড়ানো যেতে পারে। লক্ষ্য হওয়া উচিত নিরাপদ, মানবিক এবং অর্থনৈতিকভাবে কার্যকর সীমান্ত।

নিরাপত্তা সহযোগিতাও দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। সন্ত্রাসবাদ, সংগঠিত অপরাধ এবং বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের অস্থিতিশীলতা নিয়ে উভয় দেশেরই উদ্বেগ রয়েছে। ভারতীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার না করার নীতিও গুরুত্বপূর্ণ। তবে নিরাপত্তা সহযোগিতার অর্থ এই নয় যে বাংলাদেশের প্রতিটি নীতিকে শুধুমাত্র ভারতের নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করতে হবে।

বাংলাদেশের সার্বভৌম অধিকার রয়েছে চিন, জাপান, আমেরিকা, আসিয়ান দেশ এবং অন্যান্য অংশীদারের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক থাকা স্বাভাবিকভাবেই ভারতের বিরুদ্ধে অবস্থান নয়। একইভাবে বাংলাদেশেরও ভারতের বৈধ নিরাপত্তা স্বার্থকে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত। চাপ প্রয়োগের পরিবর্তে পারস্পরিক আশ্বাস দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার জন্য বেশি কার্যকর হতে পারে।

রোহিঙ্গা সংকটও দুই দেশের সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলেছে। বাংলাদেশ মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত বিপুল সংখ্যক মানুষের আশ্রয় দিয়েছে। অন্যদিকে ভারতও এই অঞ্চলে নিরাপত্তা ও অভিবাসন সংক্রান্ত উদ্বেগের মুখোমুখি। কোনও দেশ একা এই সংকটের সমাধান করতে পারবে না। তাই মিয়ানমার এবং অন্যান্য আঞ্চলিক শক্তির সঙ্গে আলোচনার পাশাপাশি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা প্রয়োজন।

সবশেষে, ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে দুই দেশ অতীতে কত দ্রুত ফিরে যেতে পারে তার ওপর নয়, বরং কতটা টেকসই নতুন কাঠামো তৈরি করতে পারে তার ওপর। ঐতিহাসিক সম্পর্ক ও রাজনৈতিক বন্ধুত্ব অবশ্যই মূল্যবান, কিন্তু আধুনিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে প্রাতিষ্ঠানিক স্থায়িত্ব ও পরিমাপযোগ্য পারস্পরিক সুবিধাও প্রয়োজন।

সমতার অর্থ দুই দেশের ওজন বা ক্ষমতা সমান হওয়া নয়। বরং আকার ও শক্তির পার্থক্য সত্ত্বেও ছোট দেশের নিজস্ব স্বার্থ অনুসরণের অধিকারকে সম্মান করা। পারস্পরিক স্বার্থের অর্থ এমন সহযোগিতা, যাতে উভয় পক্ষই লাভবান হয়। আর সার্বভৌমত্বের অর্থ কোনও দেশই অন্য দেশের পররাষ্ট্রনীতিকে নিজের পছন্দ অনুযায়ী পরিচালিত করার প্রত্যাশা করবে না।

তাই বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের নতুন অধ্যায় সম্ভব। এর জন্য ভারতকে জল, বাণিজ্য, সীমান্ত ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বেগ আরও মন দিয়ে শুনতে হবে। একইসঙ্গে বাংলাদেশকেও ভারতের বৈধ নিরাপত্তা ও যোগাযোগ সংক্রান্ত স্বার্থকে স্বীকৃতি দিতে হবে এবং নিজের ভূখণ্ডকে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার উৎস হিসেবে ধরে রাখতে হবে।

উভয় দেশকেই এমন জাতীয়তাবাদী বক্তব্য এড়াতে হবে, যা প্রতিটি মতপার্থক্যকে কূটনৈতিক সংঘাতে পরিণত করে। সম্পর্ককে ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের ওপর কম নির্ভরশীল করাও জরুরি। কারণ সরকার পরিবর্তন হতে পারে, কিন্তু ভূগোল বদলায় না—সীমান্ত পেরিয়ে নদী প্রবাহিত হয়, ব্যবসা চলতে থাকে এবং বঙ্গোপসাগর দুই দেশকে বৃহত্তর আঞ্চলিক অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করে।

ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে সব বিষয়ে একমত হওয়া জরুরি নয়। পরিণত সম্পর্কের বৈশিষ্ট্য মতপার্থক্যের অনুপস্থিতি নয়, বরং মতপার্থক্যকে এমনভাবে পরিচালনা করা যাতে তা সহযোগিতাকে দুর্বল না করে। লক্ষ্য হওয়া উচিত না ভারতের আধিপত্য, না বাংলাদেশের দূরত্ব; বরং এমন একটি সম্পর্ক, যেখানে দুই দেশ নিজেদের জাতীয় স্বার্থ অনুসরণ করবে এবং একইসঙ্গে বুঝবে যে সংঘাতের তুলনায় সহযোগিতাই অনেক সময় সেই স্বার্থ পূরণে বেশি কার্যকর।

বর্তমান সময়কে তাই শুধু টানাপোড়েনের সময় হিসেবে না দেখে সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ হিসেবে দেখা যেতে পারে। ঢাকা ও দিল্লি যদি রাজনৈতিক প্রত্যাশার বদলে প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ, নির্ভরতার বদলে পারস্পরিক আন্তঃনির্ভরতা এবং বক্তব্যের বদলে পারস্পরিকতার পথে এগোয়, তাহলে দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী ও দীর্ঘস্থায়ী হয়ে উঠতে পারে। এটি সম্পর্ক থেকে পিছিয়ে যাওয়া নয়, বরং আরও টেকসই সম্পর্কের ভিত্তি নির্মাণের সুযোগ।

Releated Posts

নেপালে আকস্মিক বন্যা: বিশ্বনেতাদের পাশে থাকার আশ্বাস, নিখোঁজ শত শত বিদেশি

কাঠমান্ডু, ২৭ আগস্ট (আইএএনএস): নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় ১৬০-রও বেশি মানুষের মৃত্যু এবং শত শত মানুষের নিখোঁজ হওয়ার…

ByByNews Desk Aug 27, 2026

তিব্বত থেকে আসা ভয়াবহ বন্যায় নেপালে মৃত অন্তত ১৯, নিখোঁজ বহু

কাঠমান্ডু, ২৬ আগস্ট (আইএএনএস): চিনের তিব্বত অঞ্চল থেকে উৎপত্তি হওয়া ভয়াবহ বন্যায় নেপালের ভোতেকোশি নদী প্লাবিত হয়ে ব্যাপক…

ByBySandeep Biswas Aug 26, 2026

নেপালে আকস্মিক বন্যা: ভারতীয়দের সহায়তায় জরুরি নম্বর প্রকাশ ভারতীয় দূতাবাসের

কাঠমান্ডু, ২৬ আগস্ট (আইএএনএস): নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ভারতীয় নাগরিকদের সহায়তা ও তথ্যের জন্য জরুরি যোগাযোগ নম্বর…

ByByNews Desk Aug 26, 2026

নেপালে আকস্মিক বন্যা: নিখোঁজ ৩৮৪ পর্যটকের মধ্যে ১০৫ জন ভারতীয়

কাঠমান্ডু, ২৬ আগস্ট (আইএএনএস): নেপালের রাসুয়া অঞ্চলে বুধবার সকালে ভোতে কোশি নদীতে আকস্মিক বন্যার পর ৩৮৪ জন পর্যটক…

ByByNews Desk Aug 26, 2026

Leave a Reply

Scroll to Top