নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২১ আগস্ট: সংশোধিত বেতন বিধিমালা, ২০১৭-এর বিধান অনুযায়ী, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি বছরে একবার হয় ১ জানুয়ারি অথবা ১ জুলাই তারিখে। সেই অনুযায়ী, অনেক কর্মচারির ক্ষেত্রে বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি পাওয়ার আগে পদোন্নতিজনিত বেতন বৃদ্ধি পাওয়ায় তাঁদের পরবর্তী বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির তারিখ পরবর্তী বছরের ১ জানুয়ারি বা ১ জুলাই পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই তারিখ পিছিয়ে যাওয়ার ফলে কর্মচারিরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন এবং বেতন বৈষম্যও সৃষ্টি হয়েছে। যেখানে কোনও কোনও ক্ষেত্রে জুনিয়র কর্মচারি তাঁর সিনিয়র কর্মচারির তুলনায় বেশি বেতন পাচ্ছেন।
এই ধরনের বৈষম্য দূর করার লক্ষ্যে, ২০.০৮.২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, যেসব কর্মচারির নিয়মিত পদোন্নতি/আর্থিক উন্নীতকরণের কারণে তাঁদের ডি এন আই পরবর্তী বছরের ১ জানুয়ারি বা ১ জুলাই পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাঁরা পরবর্তী বেতন বৃদ্ধির তারিখ থেকে বেতন নির্ধারণের জন্য বিকল্প গ্রহণ করতে পারবেন। এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ত্রিপুরা সরকারের অর্থ দপ্তর একটি স্মারকলিপি জারি করেছে।
যেসব কর্মচারির ০১.০৪.২০১৭ তারিখের পর নিয়মিত পদোন্নতি/আর্থিক উন্নীতকরণের কারণে (এমএসিপি ব্যতীত) তাঁদের পরবর্তী বেতন বৃদ্ধির তারিখ (ডি এন আই) পরবর্তী বছরের ১ জানুয়ারি বা ১ জুলাই পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁরা এখন বেতন নির্ধারণের জন্য এই বিকল্প গ্রহণ করতে পারবেন। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে বহু কর্মচারি উপকৃত হবেন।
এখানে আরও উল্লেখ করা যেতে পারে যে, এর আগে ১৩.০৮.২০২৬ তারিখে অর্থ দপ্তর এমএসিপি -এর কারণে বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিকল্প গ্রহণের সুযোগ সংক্রান্ত আরেকটি স্মারকলিপি জারি করেছিল এবং সেই বিকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে নির্ধারিত কাট-অফ তারিখ প্রত্যাহার করা হয়েছিল।



















