News Flash

  • Home
  • প্রধান খবর
  • পরিত্যক্ত ইসিএল আবাসন থেকে বিপুল অস্ত্র-গুলি উদ্ধার বঙ্গ পুলিশের এসটিএফের
Image

পরিত্যক্ত ইসিএল আবাসন থেকে বিপুল অস্ত্র-গুলি উদ্ধার বঙ্গ পুলিশের এসটিএফের

কলকাতা, ৯ আগস্ট (আইএএনএস): রাতভর অভিযান ও তল্লাশি চালিয়ে পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুরের কাছে আন্দাল থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। শনিবার রাত থেকে শুরু হওয়া অভিযান রবিবার ভোর পর্যন্ত চলে বলে আধিকারিকরা জানিয়েছেন।

ইস্টার্ন কোলফিল্ডস লিমিটেড (ইসিএল)-এর পরিত্যক্ত আবাসন থেকে এই অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। ইসিএল রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা কোল ইন্ডিয়া লিমিটেডের একটি সহযোগী সংস্থা।

জানা গিয়েছে, গত সপ্তাহে প্রতিবেশী ঝাড়খণ্ড থেকে গ্রেফতার হওয়া দুই কয়লা মাফিয়াকে সঙ্গে নিয়ে এসটিএফের আধিকারিকরা শনিবার রাতে আন্দাল এলাকায় দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি অভিযান চালান।

গত মঙ্গলবার রাঁচি থেকে কুখ্যাত কয়লা মাফিয়া শামশের হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এর আগে গত মাসে খইরুল নামে আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, কয়লা পাচারের ক্ষেত্রে খইরুল শামশেরের সহযোগী। দু’জনকেই এসটিএফ গ্রেফতার করেছে।

ঘটনার সঙ্গে পরিচিত সূত্র জানিয়েছে, দু’জনকে এসটিএফ হেফাজতে রেখে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই তদন্তকারীরা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সূত্র পান।

এরপর শনিবার রাতে শামশের ও খইরুলকে সঙ্গে নিয়ে আন্দাল এলাকায় দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চালায় এসটিএফ। সেই অভিযানে ইসিএলের পরিত্যক্ত আবাসনের একটি জায়গা থেকে ১৫টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৫৬ রাউন্ড জীবন্ত কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।

অস্ত্র উদ্ধারের পর তদন্তকারীদের সামনে নতুন প্রশ্ন উঠেছে—কয়লা পাচারের পাশাপাশি শামশের ও খইরুল কি অস্ত্র পাচার চক্রের সঙ্গেও যুক্ত ছিল?

ঝাড়খণ্ড-সহ একাধিক এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ কয়লা ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে শামশের ও খইরুল পুলিশের কাছে পরিচিত এবং দীর্ঘদিন ধরে ওয়ান্টেড ছিলেন।

রাজ্য পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, “অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারের ঘটনা তাঁদের অস্ত্র পাচারের সঙ্গে সমান্তরালভাবে যুক্ত থাকার দিকটিও ইঙ্গিত করছে। এই বিষয়টি সামনে রেখে তাঁদের ফের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।”

পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডে দীর্ঘদিন ধরেই কয়লা পাচার একটি বড় সমস্যা। এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটও (ইডি) পৃথকভাবে অভিযান চালিয়ে আসছে। পশ্চিমবঙ্গে আগের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকারের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন প্রভাবশালী নেতাও এই মামলায় কেন্দ্রীয় সংস্থার নজরে এসেছিলেন।

Releated Posts

সরকারের কাজকে ‘ইনোভেশন ল্যাব’ হিসেবে দেখেন মোদি, তুলে ধরা হল একাধিক প্রশাসনিক উদ্যোগ

নয়াদিল্লি, ২৩ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে ‘চিন্তন শিবির’ আয়োজনের মধ্যেই ‘মোদি স্টোরি’ নামে একটি…

ByByNews Desk Sep 23, 2026

সিইসির জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ চাইল কংগ্রেস, ‘একতরফা’ কাজের অভিযোগ

অভিজিৎ রায় চৌধুরী নয়াদিল্লি, ২৩ সেপ্টেম্বর: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করল কংগ্রেস। নির্বাচন কমিশনকে…

ByByNews Desk Sep 23, 2026

এসআইআর বিতর্কে নির্বাচন কমিশনের সাফাই, ‘মতপার্থক্য স্বাভাবিক, সাম্প্রতিক সব সিদ্ধান্ত সর্বসম্মত’

নয়াদিল্লি, ২৩ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): বিশেষ নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন বা এসআইআর নিয়ে অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্যের অভিযোগের মধ্যে বুধবার নিজেদের অবস্থান…

ByByNews Desk Sep 23, 2026

‘নিজের পাশাপাশি সমাজের জন্য কাজ করুন’, স্নাতকদের বার্তা রাষ্ট্রপতি মুর্মুর

বদোদরা, ২৩ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): শিক্ষা ও পেশাগত দক্ষতাকে শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যের জন্য নয়, সমাজ ও দেশের কল্যাণে কাজে…

ByByNews Desk Sep 23, 2026
Scroll to Top