নয়াদিল্লি, ২৩ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে ‘চিন্তন শিবির’ আয়োজনের মধ্যেই ‘মোদি স্টোরি’ নামে একটি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট তাঁর সরকারের বিভিন্ন প্রশাসনিক উদ্যোগ তুলে ধরেছে। ওই পোস্টে দাবি করা হয়েছে, বছরের পর বছর ধরে বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে সরকারি কাজের পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করা হয়েছে এবং প্রশাসনকে অনেকটা ‘ইনোভেশন ল্যাব’-এর মতো ব্যবহার করা হয়েছে।
‘মোদি স্টোরি’-র পোস্টে ‘অনুভব’ উদ্যোগের উল্লেখ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে অবসরপ্রাপ্তির আগে প্রবীণ আধিকারিকদের তাঁদের কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা ও শিক্ষাগুলি নথিভুক্ত করতে উৎসাহিত করা হয়, যাতে পরবর্তী প্রজন্মের আধিকারিকরা সেই অভিজ্ঞতা থেকে উপকৃত হতে পারেন।
এছাড়াও ‘স্বতঃ সুখায়’ উদ্যোগের কথা তুলে ধরা হয়েছে। এই উদ্যোগে আধিকারিকরা নিজেদের বিভাগের কাজের বাইরে স্বেচ্ছায় বিভিন্ন প্রকল্পে যুক্ত হয়ে জনসেবায় অবদান রাখার সুযোগ পান।
‘ব্যাক টু দ্য ফার্স্ট পোস্টিং’ উদ্যোগের আওতায় আধিকারিকদের তাঁদের কর্মজীবনের প্রথম পোস্টিংয়ের তালুক বা জেলায় ফিরে গিয়ে দীর্ঘ সময়ে সেই এলাকার কী পরিবর্তন হয়েছে তা খতিয়ে দেখতে উৎসাহিত করা হয়।
পোস্টে ‘অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি প্রোগ্রাম’-এর কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত আইএএস আধিকারিকরা প্রথম পোস্টিংয়ে যাওয়ার আগে তিন মাস কেন্দ্রীয় মন্ত্রকগুলিতে কাজ করে কেন্দ্রীয় সরকারের কাজের পদ্ধতি সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।
এছাড়া ‘ওয়ান সেক্রেটারি, ওয়ান তালুকা’ উদ্যোগের আওতায় প্রবীণ আইএএস আধিকারিকদের পিছিয়ে থাকা তালুকগুলির সঙ্গে যুক্ত রাখা হয়, যাতে তাঁরা প্রশাসনের পাশাপাশি তৃণমূল স্তরের বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গেও যোগাযোগ বজায় রাখতে পারেন। ‘মোদি স্টোরি’-র পোস্টে বলা হয়েছে, প্রশাসনিক পদমর্যাদা যতই উঁচু হোক, মাটির সঙ্গে যোগাযোগ রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
_______



















