আগরতলা, ৪ আগস্ট: ত্রিপুরা সরকার নিয়মিতভাবে টিচার্স এলিজিবিলিটি টেস্ট (টেট) আয়োজন অব্যাহত রাখবে। তবে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে রাজ্যের শূন্যপদের সংখ্যা এবং সরকারের আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনা করে ধাপে ধাপে। মঙ্গলবার এ কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক (ডা.) মানিক সাহা।
শিক্ষক নিয়োগ এবং এ-সংক্রান্ত চলমান আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। তবে অতীতেও সরকার একাধিকবার শিক্ষক নিয়োগ করেছে। তিনি স্পষ্ট করে জানান, টেট কেবলমাত্র একটি যোগ্যতা নির্ধারণী পরীক্ষা, এটি কোনো নিয়োগ পরীক্ষা নয়।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত মামলা আদালতে বিচারাধীন। তা সত্ত্বেও অতীতে সরকার নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। টেট শুধুমাত্র যোগ্যতা অর্জনের পরীক্ষা, এটি চাকরির নিশ্চয়তা দেয় না।”
টেট পরীক্ষার নিয়মিত আয়োজন নিয়ে ওঠা প্রশ্নও উড়িয়ে দেন তিনি। তাঁর দাবি, প্রতি বছরই নিয়মিতভাবে টেট অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, “টেট আয়োজন নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। আমরা প্রতি বছরই এই পরীক্ষা পরিচালনা করছি এবং আগামী দিনেও নিয়মিতভাবে তা চালিয়ে যাব।”
মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, টেট অনুষ্ঠিত হওয়ার পরপরই শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেই শূন্যপদ, প্রয়োজন এবং সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তিনি বলেন, “আমরা সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা করি। টেট শেষ হওয়ার পরই প্রয়োজন অনুযায়ী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়। শূন্যপদ এবং আর্থিক সামর্থ্যের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখেই ধাপে ধাপে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে।” মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যের প্রয়োজন ও উপলব্ধ সম্পদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একটি সুষম পদ্ধতিতে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালনা করবে সরকার।
























