নয়াদিল্লি, ২৫ জুলাই (আইএএনএস): বৃহত্তর সামাজিক স্বার্থের কথা মাথায় রেখেই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) বি.এল. সন্তোষ। পাশাপাশি তিনি ধর্মেন্দ্র প্রধানের নেতৃত্বে জাতীয় শিক্ষা নীতি-২০২০ বাস্তবায়ন এবং শতাধিক শিক্ষা সংস্কার কার্যকর করার কৃতিত্বও তুলে ধরেন।
শনিবার সামাজিক মাধ্যমে বি.এল. সন্তোষ লেখেন, “শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে ধর্মেন্দ্র প্রধান সফলভাবে জাতীয় শিক্ষা নীতি-২০২০ বাস্তবায়নের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর আমলে শিক্ষা ক্ষেত্রে ছোট-বড় মিলিয়ে ১০০-রও বেশি সংস্কার আনা হয়েছে। বৃহত্তর সামাজিক স্বার্থের কথা ভেবেই তাঁকে পদত্যাগ করতে হয়েছে। আমরা সকলেই বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতেও তিনি সফলভাবে দেশের সেবা করবেন।”
উল্লেখ্য, নিট-ইউজি প্রশ্নফাঁস ও পরীক্ষায় অনিয়মের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে চলা বিক্ষোভের মধ্যে শনিবার কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান।
প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দেওয়া পদত্যাগপত্রে ধর্মেন্দ্র প্রধান জানান, গত ১০ দিনের ঘটনাবলিতে তিনি গভীরভাবে মর্মাহত। পরীক্ষায় অনিয়মকে কেন্দ্র করে তৈরি পরিস্থিতির সুযোগ যাতে কোনও দেশবিরোধী শক্তি নিতে না পারে, সেই লক্ষ্যেই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
চিঠিতে তিনি বলেন, গত চার দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক এবং শিক্ষা সংস্কারের জন্য কাজ করে চলেছেন। একটি শক্তিশালী, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও দূরদর্শী শিক্ষা ব্যবস্থাই একটি শক্তিশালী জাতির ভিত্তি—এই বিশ্বাস তিনি সবসময় ধারণ করেছেন।
তিনি আরও লেখেন, দেশের যুবসমাজের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশার প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। তরুণ প্রজন্মই উন্নত ভারতের নির্মাতা ও ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শক। জंतर-মন্তরসহ দেশজুড়ে তৈরি হওয়া পরিস্থিতির সুযোগ যাতে দেশবিরোধী শক্তি নিতে না পারে, জাতীয় ঐক্য অটুট থাকে, কোনও ভারতীয় ছাত্রের ভবিষ্যৎ আইনি জটিলতায় না জড়ায় এবং পড়াশোনায় মনোনিবেশ করতে পারে—সেই কারণেই তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন।


















