নয়াদিল্লি, ২৯ জুন (আইএএনএস): কর্নাটক থেকে পুনর্নির্বাচিত হয়ে সোমবার ফের রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। সংসদ ভবনে রাজ্যসভার চেয়ারম্যান তথা উপরাষ্ট্রপতি সি. পি. রাধাকৃষ্ণনের দপ্তরে তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করানো হয়।
শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস সংসদীয় দলের চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধী এবং ওয়েনাড়ের সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা রাজ্যসভার সদননেতা জে. পি. নাড্ডা, সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু, আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল এবং রাজ্যসভার উপ-সভাপতি হরিবংশ-সহ একাধিক শীর্ষ নেতা।
গত ১১ জুন কর্নাটক থেকে রাজ্যসভার চারটি আসনের নির্বাচনে কংগ্রেসের তিন প্রার্থী, যার মধ্যে মল্লিকার্জুন খাড়গেও ছিলেন, এবং বিজেপির এক প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
বিজেপির ইরান্না কাদাদি ও নারায়ণ কোরাগাপ্পা, কংগ্রেসের মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং জনতা দল (সেকুলার)-এর নেতা তথা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ. ডি. দেবেগৌড়ার রাজ্যসভার মেয়াদ ২৫ জুন শেষ হওয়ায় এই চারটি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। মেয়াদ শেষ হওয়ার পরই কর্নাটক থেকে পুনর্নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন দিয়েছিলেন খাড়গে।
শপথ নেওয়ার পর এক্স-এ খাড়গে লেখেন, “রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে এই মর্যাদাপূর্ণ সদনে কাজ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাওয়া আমার কাছে অত্যন্ত গর্ব এবং দায়িত্বের বিষয়।”
তিনি রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সি. পি. রাধাকৃষ্ণন এবং উপ-সভাপতি হরিবংশকে তাঁদের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান।
পাশাপাশি সোনিয়া গান্ধী, লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, কংগ্রেসের সাংসদ, দলীয় কর্মী-সমর্থকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, তাঁদের আস্থা ও উৎসাহই তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সংসদীয় জীবনের পথচলায় শক্তি জুগিয়েছে।
খাড়গে আরও বলেন, “সব রাজনৈতিক দলের ফ্লোর লিডারদের, বিশেষ করে ইন্ডিয়া জোটের সহযোগী এবং বৃহত্তর বিরোধী শিবিরের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আগামী বর্ষাকালীন অধিবেশনে আরও ভালো সমন্বয়ের মাধ্যমে আমরা সরকারকে আরও জবাবদিহির আওতায় আনতে চাই।”
তিনি স্পষ্ট করেন, বিরোধী দল হিসেবে সাধারণ মানুষের সমস্যা, দাবি এবং প্রত্যাশার বিষয়গুলি সংসদে তুলে ধরা হবে এবং জনগণের কণ্ঠস্বরকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
খাড়গে বলেন, “মানুষের জ্বলন্ত সমস্যা, আশা-আকাঙ্ক্ষা এবং কণ্ঠস্বর আমরা আন্তরিকতা, দৃঢ়তা ও দায়বদ্ধতার সঙ্গে তুলে ধরব। এটিই আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব এবং আমি সেই দায়িত্ব সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করব।”



















