নয়াদিল্লি, ২৮ জুন (আইএএনএস): প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মাসিক রেডিও অনুষ্ঠান ‘মন কি বাত’-এর ভূয়সী প্রশংসা করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। রবিবার তিনি বলেন, এই অনুষ্ঠান দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ইতিবাচক উদ্যোগকে তুলে ধরার পাশাপাশি স্বতঃস্ফূর্ত জনঅংশগ্রহণের অনুপ্রেরণাদায়ক কাহিনি মানুষের সামনে তুলে ধরে।
তিনি আরও বলেন, ‘ক্যাচ দ্য রেইন’ অভিযান নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা জলবায়ু ও জল সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
‘মন কি বাত’-এর ১৩৫তম পর্ব সম্প্রচারের পর নীতিন নবীন বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’ একটি গুরুত্বপূর্ণ জনসংযোগ কর্মসূচি। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলা ইতিবাচক উদ্যোগগুলিকে এই মঞ্চ তুলে ধরে। ভারত ও বিশ্বের মানুষ জানতে পারেন, সাধারণ মানুষ কীভাবে স্বতঃস্ফূর্তভাবে নানা উদ্যোগে অংশ নিচ্ছেন। এই উদ্যোগগুলি সমাজকে অনুপ্রাণিত করে।”
তিনি বলেন, “আজ প্রধানমন্ত্রী ‘ক্যাচ দ্য রেইন’ অভিযানের বার্তা দিয়েছেন। আমার মতে, এটি জলবায়ু সংরক্ষণ এবং তার থেকেও বেশি জল সংরক্ষণের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ‘মন কি বাত’ আমাদের সবসময় নতুন তথ্য, নতুন উদ্দীপনা এবং নতুন অনুপ্রেরণা দেয়।”
একই সুরে বিজেপি নেতা বীরেন্দ্র সচদেবা বলেন, এই অনুষ্ঠান প্রতিবারই মানুষকে নতুন কিছু শেখায় এবং বাস্তবমুখী বার্তা দেয়।
তিনি বলেন, “প্রতিবার ‘মন কি বাত’ শুনলে আমরা নতুন কিছু জানতে পারি। আমার মনে হয়, জ্ঞান ভাগ করে নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর শুরু করা এই কর্মসূচির মতো উদ্যোগ বিশ্বের আর কোথাও নেই। আজও তিনি নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। অনুষ্ঠানের শেষে ‘ক্যাচ দ্য রেইন’ অভিযানের কথা উল্লেখ করে বর্ষার সময় বৃষ্টির প্রতিটি ফোঁটা সংরক্ষণের আহ্বান জানিয়েছেন।”
রবিবার ‘মন কি বাত’-এর ১৩৫তম পর্বে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশ গঠনে ‘জনভাগিদারি’ বা জনঅংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের সময় তাঁর বিভিন্ন আহ্বানে দেশবাসীর ইতিবাচক সাড়া জনঅংশগ্রহণের শক্তিকেই প্রমাণ করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যখন একটি দেশের আত্মা তার মানুষের মধ্যে বাস করে এবং সেই দেশের মানুষ সংকল্প গ্রহণ করেন, তখন কোনও শক্তিই তাদের লক্ষ্যপূরণে বাধা দিতে পারে না। দেশ গঠনে জনভাগিদারির শক্তি ভারতের অন্যতম বড় সম্পদ।”
তিনি আরও জানান, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে তিনি দেশবাসীকে কিছু সময়ের জন্য সোনা কেনা থেকে বিরত থাকা, বিদেশ ভ্রমণ এড়ানো, কারপুলিংকে উৎসাহিত করা এবং কৃষকদের রাসায়নিকমুক্ত চাষ ও জৈব সার ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছিলেন।
























