News Flash

  • Home
  • মুখ্য খবর
  • ১৪২ কোটি টাকার মাদক পাচার ও মানি লন্ডারিং মামলায় সোনামুড়ায় ইডির হানা, ত্রিপুরা-সহ তিন রাজ্যে অভিযান
Image

১৪২ কোটি টাকার মাদক পাচার ও মানি লন্ডারিং মামলায় সোনামুড়ায় ইডির হানা, ত্রিপুরা-সহ তিন রাজ্যে অভিযান

আগরতলা, ৮ জুন : আন্তর্জাতিক মাদক পাচার ও অর্থপাচার চক্রের তদন্তে ত্রিপুরা, মিজোরাম ও পশ্চিমবঙ্গে একযোগে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। সোমবার মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন (পিএমএলএ), ২০০২-এর ১৭ নম্বর ধারায় এই অভিযান শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ১৪২ কোটিরও বেশি টাকার অপরাধলব্ধ অর্থের হদিস পেয়েছে ইডি।

সূত্রের খবর, এই অভিযানটি নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি)-র একটি মামলার সূত্র ধরে পরিচালিত হচ্ছে। ২০২৫ সালের ২১ আগস্ট ত্রিপুরায় ৪৯.১০১ কেজি মেথামফেটামিন ট্যাবলেট এবং ৪০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছিল। ওই ঘটনার তদন্তে উঠে আসে আন্তঃসীমান্ত মাদক পাচার ও অর্থপাচারের একটি বড় চক্রের তথ্য।তদন্তে উঠে এসেছে, মায়ানমারের উৎস থেকে মিজোরামের চামফাই জেলার জোখাওথার সীমান্ত দিয়ে বিপুল পরিমাণ মেথামফেটামিন ভারতে প্রবেশ করানো হতো। পরে সেই মাদক ত্রিপুরার বিভিন্ন প্রাপকের কাছে পৌঁছে দেওয়া হতো বলে অভিযোগ। ইডির দাবি, এই চক্রের সদস্যরা একাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে অবৈধ অর্থের উৎস গোপন করতে জটিল আর্থিক লেনদেনের জাল বিস্তার করেছিল। তদন্তে ইতিমধ্যেই ১৪২ কোটিরও বেশি টাকার অপরাধলব্ধ সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে।

ইডি সূত্রে আরও জানা গেছে, ত্রিপুরায় বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন সোনামুড়ার কুলুবাড়ি এলাকায় জশিম মিয়া ও আনোয়ার হোসেনের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট স্থানটি আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে মাত্র প্রায় ২০০ মিটার দূরে অবস্থিত। অন্যদিকে মিজোরামে মিয়ানমার সীমান্ত থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরের একটি স্থানেও অভিযান চলছে।

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেও মিজোরামে মায়ানমার থেকে সুপারি পাচার ও অর্থ পাচারের অভিযোগে ইডি পৃথক একটি অভিযান চালায়। সেই মামলায় প্রায় ৯৭০ কোটি টাকার অপরাধলব্ধ অর্থের সন্ধান পাওয়ার দাবি করেছে সংস্থাটি।

নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলির মতে, মায়ানমারের সঙ্গে দীর্ঘ ও অরক্ষিত সীমান্ত থাকার কারণে মিজোরাম ও মণিপুর ক্রমশ উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্যতম প্রধান মাদক পাচার করিডরে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে মায়ানমারের চিন রাজ্য থেকে চামফাই, সিয়াহা, লংতলাই, হনাহথিয়াল, সাইতুয়াল এবং সেরছিপ জেলার বিভিন্ন রুট ব্যবহার করে মাদক ও অন্যান্য চোরাই পণ্য ভারতে প্রবেশ করছে বলে তদন্তকারী সংস্থাগুলির দাবি।

ইডি জানিয়েছে, এই চক্রের সঙ্গে জড়িত আরও ব্যক্তি ও সংস্থার ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

Releated Posts

প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলায় ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ২৩ জুলাই: প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত মামলাগুলির দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য কেন্দ্র সরকারের ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন…

ByByTaniya Chakraborty Jul 23, 2026

ত্রিপুরার সড়ক উন্নয়নে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বিপ্লব দেব, জাতীয় মহাসড়ক সংস্কার ও রোপওয়ে প্রকল্পে জোর

নয়াদিল্লি, ২৩ জুলাই: ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় সড়ক…

ByByTaniya Chakraborty Jul 23, 2026

ডিজিপির মৃত্যুরহস্যে বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবি বিধায়ক বিরজিৎ সিনহার

কৈলাসহর, ২৩ জুলাই : ত্রিপুরা রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালক (ডিজিপি) অনুরাগ ধ্যানকরের অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এবার সরব হলেন…

ByByTaniya Chakraborty Jul 23, 2026

পাইলটের মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস ও ডিজিসিএ-কে নোটিশ ত্রিপুরা মানবাধিকার কমিশনের

আগরতলা, ২৩ জুলাই: আগরতলার এক পাইলটের দায়ের করা মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের ভিত্তিতে এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস এবং ডিরেক্টর জেনারেল…

ByByTaniya Chakraborty Jul 23, 2026
Scroll to Top