নিউ চণ্ডীগড়, ৬ জুন (আইএএনএস): আইপিএলের দ্রুতগতির ক্রিকেট থেকে টেস্টের ধৈর্য ও শৃঙ্খলার ক্রিকেটে ফেরার চ্যালেঞ্জ এখন আর নতুন নয় বলে মনে করেন ভারতীয় পেসার প্রসিধ কৃষ্ণ। তাঁর মতে, আধুনিক ক্রিকেটাররা সারা বছর একাধিক ফরম্যাটে খেলতে অভ্যস্ত হওয়ায় এই পরিবর্তন মূলত মানসিক প্রস্তুতির বিষয়।
শনিবার মুল্লানপুরের মহারাজা যাদবীন্দ্র সিং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম-এ ভারত জাতীয় ক্রিকেট দল ও আফগানিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-এর মধ্যে একমাত্র টেস্ট ম্যাচের আগে সম্প্রচারকারীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
প্রসিধ বলেন, “এই সুন্দর মাঠে এসে সত্যিই খুব ভালো লাগছে। চারপাশ উজ্জ্বল, সুন্দর পরিবেশ। আমি রোদ খুব পছন্দ করি, তাই এখানে এসে বেশ সতেজ লাগছে।”
আইপিএল শেষ হওয়ার পর খুব কম সময়ের ব্যবধানে ভারতীয় দলকে টেস্ট ক্রিকেটে ফিরতে হয়েছে। তবে প্রসিধের মতে, বিভিন্ন ফরম্যাটে নিয়মিত খেলার অভিজ্ঞতা ক্রিকেটারদের দ্রুত মানিয়ে নিতে সাহায্য করে।
তিনি বলেন, “কিছুটা পরিবর্তন তো হয়ই। তবে আমরা এখন যথেষ্ট ক্রিকেট খেলেছি। প্রায়ই একাধিক ফরম্যাটে খেলতে হয়, তাই আমরা এতে অভ্যস্ত। চোখকে নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া এবং ম্যাচ নিয়ে ভাবতে শুরু করাটাই গুরুত্বপূর্ণ। একবার মানসিকভাবে প্রস্তুত হয়ে গেলে মাঠে বিষয়টা অনেক সহজ হয়ে যায়।”
কর্নাটকের এই পেসারের মতে, টেস্ট ক্রিকেটে সাফল্যের মূল চাবিকাঠি ধৈর্য।
“বোলিংয়ের মৌলিক বিষয়গুলো একই থাকে। আপনি নির্দিষ্ট জায়গায় বল করতে অভ্যস্ত। শুধু নিজের মনকে বোঝাতে হয় যে আপনাকে সেটাই দীর্ঘ সময় ধরে করে যেতে হবে। টেস্ট ক্রিকেটে বেশি ধৈর্য দরকার, দীর্ঘ সময় ধরে একই জায়গায় বল করার ক্ষমতা দরকার এবং খুব তাড়াতাড়ি অতিরিক্ত কিছু করার চেষ্টা করা উচিত নয়। এটা মূলত মানসিকভাবে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার ব্যাপার,” বলেন তিনি।
ভারতের টেস্ট দলের পরিবর্তনের এই সময়ে প্রসিধকে পেস আক্রমণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাম্প্রতিক টেস্ট ম্যাচগুলিতে খেলার অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিজের নির্ধারিত মান বজায় রাখা এবং দলের মধ্যে সেই ধারাবাহিকতা নিয়ে আসাই তাঁর লক্ষ্য।
প্রসিধের কথায়, “সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ধারাবাহিকতা। সাম্প্রতিক টেস্ট ম্যাচগুলোতে যে মানদণ্ড তৈরি করেছি, সেটাকে ধরে রাখতে হবে। অন্য ফরম্যাট থেকে এসে নতুন মরসুমের শুরুটা ভালো করা খুবই জরুরি। মৌলিক বিষয়গুলো ঠিক রাখতে হবে এবং ভবিষ্যতের জন্য নিজের মানদণ্ড নিজেকেই তৈরি করতে হবে।”
_______



















