ধর্মনগর, ৭ মে : ধর্মনগরের যুব মোর্চার মণ্ডল সভাপতি তথা ধর্মনগর পুর পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রয়াত রাহুল কিশোর রায়ের মৃত্যুর চারদিন পর তার বাড়িতে যান বিধায়ক জহর চক্রবর্তী। এদিন বিধায়কের সামনেই একাধিক বিস্ফোরক মন্তব্য করেন প্রয়াত যুবনেতার স্ত্রী অনন্যা ভট্টাচার্য, যা ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
আজ শোকসন্তপ্ত পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে রাহুল কিশোর রায়ের বাড়িতে পৌঁছান বিধায়ক জহর চক্রবর্তী। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির উত্তর জেলা সভাপতি কাজল দাস, ধর্মনগর পুর পরিষদের চেয়ারপার্সন মিতালী রানী দাস সেন, কাউন্সিলার নবনীতা আচার্য সহ দলের অন্যান্য নেতৃত্বরা।
এসময় প্রয়াত যুবনেতার স্ত্রী অনন্যা ভট্টাচার্য বিধায়কের সামনেই ক্ষোভ উগরে দেন এবং একাধিক অভিযোগ তোলেন। তাঁর অভিযোগ, স্বদলীয় গোষ্ঠী কোন্দলের শিকার হয়েছে রাহুল। তাঁর স্বামীর মৃত্যুর জন্য দায়ী বিজেপি। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, তাঁদের পরিবারের সদস্যরা সবসময় বিজেপিকেই ভোট দিয়েছেন। অথচ আজ তাদের এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা।
অন্যদিকে বিধায়ক জহর চক্রবর্তী শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না। প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাহুল কিশোর রায়ের অকাল মৃত্যু ঘিরে ইতিমধ্যেই ধর্মনগরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তার উপর পরিবারের তরফে ওঠা বিস্ফোরক মন্তব্য নতুন করে ঘটনাকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।



















