পাটনা, ৩০ মার্চ (আইএএনএস) : বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার-এর বিধান পরিষদ (এমএলসি) পদ থেকে ইস্তফা ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর তীব্র হয়েছে। আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব অভিযোগ করেছেন, এই সিদ্ধান্ত নীতীশ কুমারের ব্যক্তিগত নয়, বরং বিজেপির চাপেই নেওয়া হয়েছে।
আইএএনএস-কে তেজস্বী বলেন, “এটা বিজেপির সিদ্ধান্ত, নীতীশ কুমারের নয়। জেডিইউ-র ভিতরে থাকা বিজেপির কিছু ‘এজেন্ট’ এই সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিয়েছে। আমরা আগেই বলেছিলাম, তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকতে দেওয়া হবে না—এখন সেটাই দেখা যাচ্ছে।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকার জনসাধারণকে প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণা করেছে। তাঁর দাবি, বিহারে বিদ্যুতের দাম আগেই বেশি ছিল, এখন তা আরও বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া, মহিলাদের ২ লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মাত্র ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
এদিকে, কংগ্রেস সাংসদ প্রমোদ তিওয়ারি-ও বিজেপির সমালোচনা করে বলেন, দলটি নীতীশ কুমার-সহ একাধিক নেতাকে প্রতারিত করেছে।
উল্লেখ্য, সোমবারই নীতীশ কুমার রাজ্যসভায় সদস্যপদ গ্রহণের আগে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা মেনে এমএলসি পদ থেকে ইস্তফা দেন। তিনি গত ১৬ মার্চ রাজ্যসভায় নির্বাচিত হন এবং ১০ এপ্রিল শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে।
সংবিধান অনুযায়ী, সংসদের সদস্য নির্বাচিত হলে ১৪ দিনের মধ্যে আগের আইনসভা পদ থেকে ইস্তফা দিতে হয়, না হলে নতুন সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়। সেই নিয়ম মেনেই তিনি ৩০ মার্চ ইস্তফা জমা দেন। তাঁর হয়ে এমএলসি সঞ্জয় গান্ধী পদত্যাগপত্র জমা দেন।
এই পদত্যাগের মাধ্যমে বিহার বিধান পরিষদের সঙ্গে নীতীশ কুমারের দীর্ঘ সম্পর্কের অবসান ঘটল। তিনি ২০০৬ সালে প্রথম এমএলসি হন এবং পরপর চারটি মেয়াদে (২০০৬-২০১২, ২০১২-২০১৮, ২০১৮-২০২৪ এবং ২০২৪-বর্তমান) দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৫ সালের নভেম্বর থেকে মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময় তিনি ধারাবাহিকভাবে বিধান পরিষদের সদস্য হিসেবেই দায়িত্ব পালন করেছেন। যদিও এর আগে ১৯৮৫ সালে হরনৌত থেকে বিধায়ক এবং লোকসভার সদস্যও

