News Flash

  • Home
  • প্রধান খবর
  • কংগ্রেস আমলে অসম অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয়স্থল ছিল, তাদের সরাতে কাজ করছে বিজেপি: অমিত শাহ
Image

কংগ্রেস আমলে অসম অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয়স্থল ছিল, তাদের সরাতে কাজ করছে বিজেপি: অমিত শাহ

গুয়াহাটি, ১৫ মার্চ (আইএএনএস): কংগ্রেস শাসনের সময় অসমকে “অনুপ্রবেশকারীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল” করে তোলা হয়েছিল বলে অভিযোগ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Amit শাহ। তিনি দাবি করেন, বর্তমানে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) সরকার রাজ্যকে অবৈধ অনুপ্রবেশমুক্ত করতে দৃঢ়ভাবে কাজ করছে।

রবিবার গুয়াহাটির খামাপাড়ায় আয়োজিত ‘যুব শক্তি সমারোহ’-এ বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেন। তাঁর অভিযোগ, কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকাকালে চা-জনজাতি ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের উন্নয়ন উপেক্ষিত ছিল। অন্যদিকে বিজেপি সরকার তাদের কল্যাণে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে।

তিনি বলেন, রাজ্য সরকার চা বাগানের শ্রমিকদের ৫,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে এবং রাজ্যের ৭০৭টি চা বাগানে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ পরিবারের জন্য জমির অধিকার নিশ্চিত করেছে।

অবৈধ অনুপ্রবেশের ইস্যুতে কংগ্রেসকে নিশানা করে শাহ বলেন, কংগ্রেস শুধু অনুপ্রবেশকারীদের রাজ্যে ঢুকতেই দেয়নি, তাদের উপস্থিতিকে “বৈধ, আনুষ্ঠানিক ও স্বাভাবিক” করে তুলেছিল।

তিনি বলেন, “কংগ্রেস সরকার অসমকে অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয়স্থলে পরিণত করেছিল। আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম অসমকে অনুপ্রবেশমুক্ত করা হবে। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা-র নেতৃত্বে ইতিমধ্যেই প্রায় ১.৫১ লক্ষ বিঘা জমি দখলদারদের কাছ থেকে মুক্ত করা হয়েছে।”

নির্বাচনী তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন নিয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী-র বিরোধিতাকেও কটাক্ষ করেন শাহ। তাঁর দাবি, ভোটার তালিকা থেকে অনুপ্রবেশকারীদের নাম বাদ পড়ছে বলেই এই বিরোধিতা।

শাহ বলেন, “রাহুল গান্ধী এসআইআর-এর বিরোধিতা করছেন কারণ এতে অনুপ্রবেশকারীদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছে। এটা কেবল শুরু—শেষ পর্যন্ত প্রত্যেক অনুপ্রবেশকারীকে দেশ ছাড়তে হবে।”

তিনি আরও দাবি করেন, কংগ্রেস আমলে অসম একসময় জঙ্গি কার্যকলাপের কেন্দ্র ছিল, যেখানে শত শত যুবকের মৃত্যু হয়েছিল। বিজেপি সরকার বিভিন্ন শান্তিচুক্তির মাধ্যমে রাজ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনতে কাজ করেছে বলেও জানান তিনি।

শাহ উল্লেখ করেন, ২০২০ সালে বোড়ো শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের পর ২০২১ সালে কার্বি শান্তিচুক্তি, ২০২২ সালে আদিবাসী শান্তি চুক্তি, ২০২৩ সালে ডিএনএলএ চুক্তি এবং ২০২৪ সালে উলফা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এই সব উদ্যোগের ফলে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির কাছ থেকে ১০,৮০০-রও বেশি অস্ত্র জমা পড়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

এছাড়াও তিনি জানান, দখলমুক্ত জমিতে শ্রীমন্ত শঙ্করদেব-র স্মৃতিতে একটি স্মারক এবং অসম আন্দোলনের শহিদদের উদ্দেশ্যে আরেকটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও দাবি করেন, স্বচ্ছ প্রশাসনের মাধ্যমে কোনও দুর্নীতি বা মামলা ছাড়াই প্রায় ১.৬৫ লক্ষ যুবককে চাকরি দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রায় ১.২৫ লক্ষ যুবকের উপস্থিতির উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি বিজেপির প্রতি মানুষের সমর্থনেরই প্রমাণ এবং আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে দলটি অসমে সর্বকালের সর্বোচ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে আবার ক্ষমতায় ফিরবে।

Releated Posts

তৃণমূলের নতুন পরিচয় কী, কমিশনে নাম-প্রতীকের পছন্দ জানাল দুই গোষ্ঠী

কলকাতা, ১৮ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস) : তৃণমূল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠীই নতুন দলের নাম ও প্রতীকের জন্য নিজেদের পছন্দের তালিকা…

ByBySandeep Biswas Sep 18, 2026

‘জোড়াফুল’ ব্যবহারে রাশ কমিশনের, মমতা ও ঋতব্রত দুই শিবিরকেই নয় প্রতীক

নিজস্ব সংবাদদাতা, নয়াদিল্লি, ১৭ সেপ্টেম্বর: তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরের সংঘাত এবার সরাসরি এসে পড়ল ব্যালটের পরিচয়ে। দলের নাম ও…

ByBySandeep Biswas Sep 17, 2026

দৃষ্টিভঙ্গি, দায়বদ্ধতা ও উদ্যমের গল্প: প্রধানমন্ত্রী মোদির জীবনের কিছু অজানা কাহিনি

নয়াদিল্লি, ১৭ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বৃহস্পতিবার ৭৬ বছরে পা দিলেন। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কঠোর শৃঙ্খলা,…

ByByNews Desk Sep 17, 2026

উন্নত প্রযুক্তি বিকাশে তরুণ প্রতিভাদের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান মোদির

নয়াদিল্লি, ১৭ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): ভারতের জনসংখ্যাগত সুবিধাকে কৌশলগত শক্তি হিসেবে তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বৃহস্পতিবার দেশের বিপুল…

ByByNews Desk Sep 17, 2026
Scroll to Top