আগরতলা, ২৫ ফেব্রুয়ারি: বন সংরক্ষণ এবং বনাগ্নি প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জোলাইবাড়ি কাকুলিয়া বন দপ্তরের উদ্যোগে এক সচেতনতা মূলক সভা ও প্রশিক্ষণ শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে। এদিনের কর্মসূচিতে বন দপ্তরের আধিকারিকদের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জোলাইবাড়ি পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান তাপস দত্ত, জোলাইবাড়ি পঞ্চায়েতের প্রধান ও মেম্বারবৃন্দ এবং জোলাইবাড়ি কাকুলিয়া রেঞ্জ অফিসার সহ অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। বনাঞ্চল সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা, স্বেচ্ছাসেবক এবং বন সুরক্ষা কমিটির সদস্যরাও শিবিরে অংশগ্রহণ করেন।
জোলাইবাড়ি পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান তাপস দত্ত বলেন, শুষ্ক মৌসুমে অসাবধানতাবশত আগুন লাগার ঘটনা বৃদ্ধি পায়। জঙ্গলে শুকনো পাতা ও ঝোপঝাড়ে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে, ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়। অনেক ক্ষেত্রে অসচেতনভাবে জঙ্গলে আগুন জ্বালানো, বিড়ি-সিগারেটের অবশিষ্টাংশ ফেলে দেওয়া কিংবা জমি পরিষ্কারের উদ্দেশ্যে আগুন লাগানো থেকেই বড় ধরনের বনাগ্নির সূত্রপাত হয়।
প্রশিক্ষণ শিবিরে বনাগ্নির সম্ভাব্য কারণ, আগুন লাগলে তাৎক্ষণিক করণীয় এবং প্রাথমিক পর্যায়ে কীভাবে দ্রুত ও কার্যকরভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণ করা যায়, সে বিষয়ে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়। বনকর্মীরা আগুন নেভানোর প্রাথমিক সরঞ্জাম ব্যবহারের পদ্ধতি প্রদর্শন করেন এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বন দপ্তরকে দ্রুত খবর দেওয়ার ওপর জোর দেন।
তিনি আরও জানান, বন রক্ষা শুধু বন দপ্তরের দায়িত্ব নয়, স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া বন সংরক্ষণ সম্ভব নয়। তাই বনাঞ্চল সংলগ্ন গ্রামগুলিতে নিয়মিত সচেতনতা কর্মসূচি চালানো হবে।



















