News Flash

  • Home
  • মুখ্য খবর
  • ডুম্বুর জলাধারে বৃহৎ পরিসরের পানীয় জল শোধন কেন্দ্র নির্মাণের সম্ভাবনা রয়েছে, বিধানসভায় তথ্য
Image

ডুম্বুর জলাধারে বৃহৎ পরিসরের পানীয় জল শোধন কেন্দ্র নির্মাণের সম্ভাবনা রয়েছে, বিধানসভায় তথ্য

আগরতলা, ২৭ মার্চ: ধলাই জেলার ডুম্বুর জলাধারে একটি বৃহৎ পরিসরের পানীয় জল শোধন কেন্দ্র নির্মাণ নিয়ে পানীয় জল এবং স্যানিটেশন বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করা হবে। আজ ত্রিপুরা বিধানসভায় বাজেট অধিবেশনের চর্তুথ দিনে বিজেপি বিধায়ক রঞ্জিত দাস প্রশ্নের জবাবে এমনটাই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক (ডা.) মানিক সাহা।

এদিন তিনি এর জবাবে বলেন, জল বিভাগের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডুম্বুরনগর ব্লকের রানীরপুকুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন সাদায়ানন্দ পাড়ায় এবং নাইক্কাছড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন প্রভুরামে দুটি উদ্ভাবনী প্রকল্প স্থাপন করা হয়েছে। সাদায়ানন্দ পাড়া প্রকল্পটি ২০২৪ সালের মার্চ মাসে চালু করা হয়েছিল এবং ৬৫টি পরিবারকে পাইপলাইনের মাধ্যমে পানীয় জল সরবরাহ করছে। এদিকে, প্রভুরম পাড়া প্রকল্পটি বিদ্যুৎ সংযোগের অপেক্ষায় রয়েছে এবং চালু হলে ৫৫টি পরিবারকে পানীয় জল সরবরাহ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, ডুম্বুর জলাধারের সংরক্ষিত জলের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে আরেকটি উদ্ভাবনী প্রকল্প ইতিমধ্যেই রাইস্যাবাড়ি ব্লকের পশ্চিম পোটাছড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন নারায়ণ সর্দার পাড়ায় সম্পন্ন এবং চালু করা হয়েছে। “এই উদ্যোগের মাধ্যমে, ৫৫টি পরিবার এখন পাইপলাইনের মাধ্যমে পানীয় জল পাচ্ছে, তিনি যোগ করেন।

এদিন ডুম্বুর জলাধারের জল ধারণ ক্ষমতা সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে ডঃ সাহা বলেন, বিদ্যুৎ এবং জল সম্পদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বর্ষাকালে জলাধারে আনুমানিক ২৮৬.৯ মিলিয়ন লিটার জল থাকে। যেখানে শুষ্ক মৌসুমে সঞ্চয় প্রায় ১৮২ মিলিয়ন লিটারে নেমে আসে। ডুম্বুর জলাধারের আশেপাশে অবস্থিত জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কমপক্ষে ২০৯.৮ কোটি লিটার জলের প্রয়োজন। শুষ্ক মৌসুমে, প্রায় ৫০ থেকে ৭০ দিনের জন্য প্রয়োজনীয় জলের চেয়ে কম জল পাওয়া যায়,” ডঃ সাহা উল্লেখ করেন।

এছাড়াও, তিনি বিদ্যুৎ পরিকাঠামোর সম্মুখীন প্রযুক্তিগত সমস্যার কথা স্বীকার করেন। “বর্তমানে, জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি টারবাইন যান্ত্রিক সমস্যার কারণে অকার্যকর, এবং বিদ্যুৎ বিভাগ তাদের মেরামতের পরিকল্পনা করছে,” তিনি জানান। এদিন ডঃ সাহা কৃষি সেচের সহায়তায় লিফট ইরিগেশন (এলআই) প্রকল্প এবং পানীয় জল শোধন কেন্দ্রের ভূমিকার উপরও আলোকপাত করেন। “গোমতী নদীর নিকটবর্তী অনেক ছোট এবং মাঝারি কৃষিজমি জলবিদ্যুৎ টারবাইনের উপর দিয়ে প্রবাহিত জলের উপর নির্ভরশীল। এই প্রকল্পগুলি সেচের জন্য অপরিহার্য, তিনি যোগ করেন। তাঁর দাবি, সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলির সাথে পরামর্শের পরে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে বলে আশ্বাস দেন।

Releated Posts

ধর্মীয় রীতি-নীতি মেনে বিশ্বকর্মা পূজোর আয়োজন

আগরতলা, ১৮ সেপ্টেম্বর: প্রতি বছরের মতো এবছর ও বোধজংনগর স্থিত টি এস আর ২ নং ব্যাটেলিয়ানের জওয়ানরাও ধর্মীয়…

ByByTaniya Chakraborty Sep 18, 2026

ধানের জমি থেকে ১০-১২ ফুটের অজগর উদ্ধার, চাঞ্চল্য

আগরতলা, ১৮ সেপ্টেম্বর: ধানের জমি থেকে ১০ থেকে ১২ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি অজগর সাপ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে…

ByByTaniya Chakraborty Sep 18, 2026

মাতাবাড়িতে ‘আশীর্বাদ কা দিয়া’ জ্বালালেন মুখ্যমন্ত্রী, মোদির সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায় প্রার্থনা

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৭ সেপ্টেম্বর: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন উপলক্ষে চলমান ‘সেবা সংকল্প অভিযান’-এর অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উদয়পুরের…

ByByReshmi Debnath Sep 17, 2026

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গরীব মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন: সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৭ সেপ্টেম্বর: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গরীব মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন। ২০১৪ সালে কেন্দ্রে বর্তমান সরকার ক্ষমতাসীন…

ByByReshmi Debnath Sep 17, 2026
Scroll to Top