News Flash

  • Home
  • ত্রিপুরা
  • সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার অভিযোগে ২০ জানুয়ারি আন্দোলনে নামবে এসএফআই এবং টিএসইউ
Image

সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার অভিযোগে ২০ জানুয়ারি আন্দোলনে নামবে এসএফআই এবং টিএসইউ

আগরতলা, ৯ জানুয়ারি : বিজেপি সরকারের আমলে সরকারি শিক্ষাব্যবস্থা তলানীতে গিয়ে ঠেকেছে। কিন্তু বেসরকারি শিক্ষাব্যবস্থা উন্নতির পথে। সরকারি বিদ্যালয়ে কমছে পড়ুয়ার সংখ্যা। তার জন্য একমাত্র পরিকাঠামোর অভাবই দায়ী। সরকারি বিদ্যালয়ের পরিকাঠামোর অভাবের কারণে পড়ুয়ারা বাধ্য হয়ে বেসরকারি বিদ্যালয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছে। এমনই দাবি করেন এসএফআই রাজ্য সম্পাদক সন্দীপন দেব। সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার অভিযোগে আগামী ২০ জানুয়ারি প্রতিবাদ সংঘটিত করবে এসএফআই এবং টিএসইউ।

বৃহস্পতিবার ছাত্র যুব ভবনে এসএফআই এবং টিএসইউ এর উদ্যোগে এক সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সন্দীপন দেব বলেন, গত ৩০ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় সরকারের শিক্ষা মন্ত্রক ও রাজ্যের বিদ্যালয়ের শিক্ষা দপ্তর ও সাক্ষরতা দপ্তর একটি সমীক্ষা প্রকাশ করেছে। এই সমীক্ষায় সরকারি বিদ্যালয়ে এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের বিভিন্ন দিক উঠে এসেছে। সমীক্ষায় জানানো হয়েছে, ২০১৮-১৯ সালে রাজ্য সরকারি বিদ্যালয় ছিল ৪৩০৯ টি। ২০২৩-২৪ সালে এই বিদ্যালয়ের সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৪২৩৮ টি। অপরদিকে ২০১৮-১৯ সালে বেসরকারি বিদ্যালয় ছিল ৩৪৩ টি। ২০২৩-২৪ সালে এটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৯৫ টি। অর্থাৎ গত পাঁচ বছরে রাজ্যের সরকারি বিদ্যালয় কমেছে ৭১ টি।

ত্রিপুরায় সরকারি অনুদান প্রাপ্ত বিদ্যালয় ২০১৮-১৯ সালে ছিল ৪৬ টি, বর্তমানে চারটি বিদ্যালয় বন্ধ হয়েছে। ২০১৮-১৯ সালে রাজ্যে সরকারি বিদ্যালয়গুলির মধ্যে শিক্ষক ছিলেন ৩৮,৯৮৬ জন এবং ২০২৩-২৪ সালে কমে হয়েছে ২৮,৭১০ জন। অর্থাৎ ৯২৪৮ জন শিক্ষক সরকারি বিদ্যালয় কমেছে। সরকারি অনুদান প্রাপ্ত বিদ্যালয়গুলির মধ্যে শিক্ষক ছিল ১২১৪ জন এবং ২০২৩-২৪ সালে বেড়ে হয়েছে ১০৬৪ জন। সরকারি অনুদান প্রাপ্ত বিদ্যালয়ে শিক্ষক কমেছে ১৫০ জন। ২০১৮-১৯ সালে ত্রিপুরা রাজ্যের সরকারি বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রী সংখ্যা ছিল ৫ লক্ষ ৭১ হাজার ৮৬৮ জন, ২০২৩-২৪ সালে সরকারি বিদ্যালয়ের ছাত্রের সংখ্যা কমে হয়েছে ৫ লক্ষ ৮ হাজার ৩৬ জন। অপরদিকে বেসরকারি বিদ্যালয়ে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ছাত্র সংখ্যা ছিল এক লক্ষ ২৩ হাজার ৬৬৭ জন। ২০২৩-২৪ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক লক্ষ ৪০ হাজার ৭৬৩ জন। অর্থাৎ সরকারি বিদ্যালয়ে পাঁচ বছরে ছাত্র সংখ্যা কমে হয়েছে ৬৩ হাজার ৮৩২ জন। অপরদিকে বেসরকারি বিদ্যালয়ে ছাত্র সংখ্যা বেড়েছে ১৭ হাজার ৯৬ জন। অপরদিকে সরকার অনুদান প্রাপ্ত বিদ্যালয় গুলিতেও ১৩৩৭ জন ছাত্র সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে।

Releated Posts

জিবিপি হাসপাতালে কার্ডিওলজি ডিপার্টমেন্টে আরও এক জন্মগত হৃদরোগীনির সফল ইন্টারভেনশন

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৭ আগস্ট: আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ (এজিএমসি) অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালের কার্ডিওলজি ডিপার্টমেন্টে রাজ্যের চিকিৎসা ইতিহাসে…

ByByReshmi Debnath Aug 7, 2026

রাজ্যের অটল বিহারী বাজপেয়ী রিজিওন্যাল ক্যান্সার সেন্টারে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে প্রথম সরকারিভাবে আধুনিক ভিএটিএস পদ্ধতিতে খাদ্যনালির জটিল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৭ আগস্ট: রাজ্যের অটল বিহারী বাজপেয়ী রিজিওন্যাল ক্যান্সার সেন্টারে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে রাজ্যের বিশেষজ্ঞ ক্যান্সার চিকিৎসকদের…

ByByReshmi Debnath Aug 7, 2026

চাকমা ভাষার উন্নয়নে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৭ আগস্ট: রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে গুগল ট্রান্সলেট প্ল্যাটফর্মে চাকমা ভাষা অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তার…

ByByReshmi Debnath Aug 7, 2026

রাজ্যে এসআইআর শুরু হবে ৫ সেপ্টেম্বর থেকে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে ২৩ ডিসেম্বর: মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৭ আগস্ট: রাজ্যের ভোটার তালিকা আরও নির্ভুল, স্বচ্ছ, ত্রুটিমুক্তও আপটুডেট করে তুলতে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর…

ByByReshmi Debnath Aug 7, 2026
Scroll to Top