ইমফল, ১১ নভেম্বর (হি.স.) : ইমফল পূর্ব জেলার অন্তৰ্গত ইয়াইঙ্গাংপোকপি গ্রামে আজ আবারও রকেট চালিত গ্রেনেড (আরপিজি) হামলা চালিয়েছে সশস্ত্র জঙ্গিরা। পাহাড়ের চূড়া থেকে আরপিজি-হামলায় জখম হয়েছেন দুই কৃষক।
রাজ্য পুলিশের সদর দফতর সূত্রের খবর, জাতিগত সংঘাত-আক্রান্ত মণিপুরের ইমফল পূৰ্ব জেলার অন্তর্গত পেরিফেরাল এলাকায় সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। ক্ষেতে কর্মরত কৃষকদের ওপর পাহাড়ভিত্তিক জঙ্গিদের হামলার আজ ছিল তৃতীয় দিন। গতকাল রবিবারও সশস্ত্র জঙ্গিরা পাহাড়ের চূড়া থেকে পাদদেশীয় অঞ্চলে আক্রমণ করেছে।
সূ্ত্রের খবর, আজ সোমবার সকাল প্রায় ৯:২০টা নাগাদ ইয়াইঙ্গাংপোকপি গ্রামের শান্তিখংবন এলাকায় আরেকটি হামলা হয়েছে। এতে দুই ব্যক্তি আহত হয়েছেন। তাঁরা ক্ষেতে ধান কাটছিলেন। তখনই জঙ্গিরা রকেট চালিত গ্রেনেড (আরপিজি) নিক্ষেপ করেছে৷ গ্রেনেড বিস্ফোরণে দুই কৃষক জখম হয়েছেন। আহত দুজনকে ইয়াইঙ্গাংপোকপি প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে (পিএইচসি) নিয়ে ভরতি করা হয়েছে। তাঁদের চিকিৎসা চলছে।
পুলিশের সূত্রটি জানিয়েছে, তাঁদের সঙ্গে ক্ষেতে ধান কাটতে ছিলেন আরও তিনজন। ওই তিনজনের খবর এখনও জানা যায়নি।
প্ৰসঙ্গত, গতকাল রবিবার সকাল প্রায় ৯:৩০টায় এক সঙ্গে ইমফল পূর্ব জেলার কয়েকটি গ্রামকে টার্গেট করে সশস্ত্ৰ জঙ্গি দল একের পর এক আরপিজি-হামলা চালিয়েছে। জঙ্গিরা থামনাপোকপি, ইয়াইঙ্গাংপোকপি, সাবুংখোক, সানসাবি সহ একাধিক গ্রামে পাহাড়ের চূড়া থেকে অসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যে করে দফায় দফায় আরপিজি-হামলা চালিয়েছিল।
থামনাপোকপি গ্ৰামে জঙ্গি এবং মহা রেজিমেন্ট, বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) এবং স্থানীয় পুলিশের যৌথ নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে গুলি বিনিময়ও হয়েছে। জানা গেছে, গতকাল সংঘটিত গোলাগুলিতে মহা রেজিমেন্টের জনৈক জওয়ানের হাতে একটি গুলি লেগেছে।


















