হাফলং (অসম), ১০ অক্টোবর (হি.স.) : উত্তর কাছাড় পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদের মুখ্য কার্যনির্বাহী সদস্য দেবোলাল গার্লোসা এখন আর জনপ্রতিনিধি নন। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর এটিএম, গুরুতর মন্তব্য করেছেন অসম প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি ভূপেন বরা।
আজ বৃহষ্পতিবার ডিমা হাসাও জেলার অন্তর্গত উমরাংসোর বড়লোকিংডং গ্রামে ধুবড়ির সাংসদ রকিবুল হুসেন, বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা দেবব্রত শইকিয়া সহ কংগ্রেসের এক প্রতিনিধি দল যান। সেখানে তাঁরা গ্রামবাসীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বড়লোকিংডং গ্রামের যে নয় হাজার বিঘা জমি মাইনিঙের জন্য সরকারের হাতে তুলে দিচ্ছে উত্তর কাছাড় পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদ, সে সম্পর্কে সৃষ্ট বিতর্ক নিয়ে কথা বলেন।
ধুবড়ির সাংসদ রকিবুল হুসেন এদিন বড়লোকিংডং গ্রামের ভুক্তভোগী মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। এর পর তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় বলেন, ষষ্ঠ তফশিলির অধীনে সংবিধানে ভূমিপুত্রদের রক্ষণাবেক্ষণ ও ভূমির অধিকার দেওয়ার বিষয়টি সন্নিবিষ্ট করা হয়েছে। তার জন্য অসমকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। সেই জায়গায় এখন ভূমিপুত্রদের ভূমির অধিকার কেড়ে নিয়ে তাঁদের বঞ্চিত করতে চাইছে সরকার।
তিনি বলেন, ‘বাঁকা পথে যে নয় হাজার বিঘা জমি সরকারকে হস্তান্তর করতে চাইছে উত্তর কাছাড় পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদ, তা কখনও বলা হচ্ছে এই জমি বনবিভাগের, আবার কখনও বলা হচ্ছে এই জমি উত্তর কাছাড় পার্বত্য পরিষদের অধীনস্থ। এতেই ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে অভিযোগ করে রকিবুল হুসেন বলেন, এই নয় হাজার বিঘা জমি কিসের জন্য প্রয়োজন? মুখ্যমন্ত্রীর, না-মাইনিঙের? সে ব্যাপারে যথেষ্ট সন্দেহ আছে।’
ধুবড়ির সাংসদ বলেন, ‘এই বিষয়টি শুধু বিধানসভায় নয়, দিল্লিতে লোকসভায়ও উত্থাপন করা হবে। কোনও অবস্থাতেই কংগ্রেস এই সকল ভূমিপুত্রদের জমির অধিকার থেকে বঞ্চিত হতে দেবে না। এ নিয়ে কংগ্রেস জোরদার লড়াই চালিয়ে যাবে।’



















