উত্তর ২৪ পরগনা, ২০ মে (হি. স.) : পঞ্চম দফা ভোট শুরু হওয়া থেকেই টিটাগড়-সহ ব্যারাকপুরের নানা কেন্দ্রে উত্তেজনা ছড়ায়। সকাল থেকেই বিক্ষিপ্ত অশান্তির ঘটনা ঘটে ব্যারাকপুরে। বাড়ি থেকে ভোট দিতে বেরিয়েই তৃণমূল প্রার্থীকে সতর্ক করেছিলেন অর্জুন সিং। পরে তাঁর বিরুদ্ধে ‘গো-ব্যাক’ স্লোগানে উত্তেজনা বাড়ে।
দিনভর বিভিন্ন অঞ্চলে এর প্রভাব পড়ে। বিজেপি নেতা কৌস্তভ বাগচি বারাকপুরে গেলে মারমুখী তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা তাঁকে ঘিরে ফেলে। পুলিশ কোনওক্রমে তাঁকে উদ্ধার করে তাঁর গাড়িতে তুলে দেয়। তাঁর গাড়ির পিছনের কাঁচ ভেঙে দেওয়া হয়।
বীজপুর বিধানসভার বাবু ব্লক এলাকার তিন নম্বর বুথ জ্যাম করার অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিযোগ পেয়েই ঘটনাস্থলে যান ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং। তিনি পৌঁছলে তাঁকে লক্ষ্য করে ‘মুর্দাবাদ’ এবং ‘গো-ব্যাক’ স্লোগান দেওয়া হয়। তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে তৃণমূলের একাধিক কর্মী-সমর্থকরা। তবে বিজেপির পাল্টা অভিযোগ, তৃণমূল কর্মীরা এক মহিলা বিজেপি কর্মীর মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল।
ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের কাউগাছিতে একটি ভোটকেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগে ভিতরে ঢুকে প্রিজাইডিং অফিসারকে খুব ধমক দেন অর্জুনবাবু। স্থানীয় উত্তেজিত তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে প্রবল বচসা হয় তাঁর। তৃণমূল কর্মীদের হঠাতে পুলিশ মৃদু লাঠি চালায়। এ নিয়েও এলাকায় উত্তেজনা দেখা যায়। অর্জুনবাবুকে কেন্দ্র করে বেশিরভাগ মহিলা তৃণমূল কর্মীই বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের অভিযোগ, প্রার্থীর মদতেই বুথ জ্যাম করছে বিজেপি। তার প্রতিবাদ করলে পাল্টা মারধরের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের টিটাগড়ে ভোট শুরুর খানিকক্ষণের মধ্যে ২১৫ নম্বর বুথে উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, নিজেকে এজেন্ট পরিচয় দিয়ে ভোটকেন্দ্রের ভেতরে ঢুকেছিলেন ওই ব্যক্তি। কিন্তু ওই ব্যক্তি ওই বুথের ভোটার নয় বলেও অভিযোগ ওঠে। কেন্দ্রীয় বাহিনী সন্দেহ হওয়ায় তাঁকে সেই বুথ কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়ে বিজেপি কর্মীরা।

