News Flash

  • Home
  • বিদেশ
  • পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি প্রচেষ্টাকে স্বাগত মোদির, বললেন ‘সমুদ্রপথ নিরাপদ রাখা জরুরি’
Image

পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি প্রচেষ্টাকে স্বাগত মোদির, বললেন ‘সমুদ্রপথ নিরাপদ রাখা জরুরি’

এভিয়াঁ (ফ্রান্স), ১৭ জুন (আইএএনএস): পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যে অগ্রগতি হয়েছে, তাকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ফ্রান্সের এভিয়াঁ শহরে অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের ‘নতুন অংশীদারিত্ব গঠন ও আন্তর্জাতিক সংহতি পুনর্নির্মাণ’ শীর্ষক অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও সংহতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি প্রচেষ্টার যে অগ্রগতি হয়েছে, আমরা তাকে স্বাগত জানাই। এই সংঘাতের ফলে ওই অঞ্চলে আমাদের বন্ধু দেশগুলিতে প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষতি হয়েছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালীতে সামুদ্রিক বাণিজ্য ব্যাহত হওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “যৌথ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজ করতে পারলেই আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব এবং বৈশ্বিক সংহতি অর্থবহ হয়ে উঠবে।”

মোদি জোর দিয়ে বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান উত্তেজনা ও সংঘাতের স্থায়ী সমাধান শুধুমাত্র সংলাপ, কূটনীতি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমেই সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, এই সংঘাতের কারণে বহু ভারতীয় নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। তিনি বলেন, “বিশ্বব্যাপী সামুদ্রিক বাণিজ্যের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশকে যুক্ত করে রাখা নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে সমুদ্রপথ নিরাপদ থাকবে এবং নাবিকরা ভয়মুক্তভাবে তাঁদের কাজ করতে পারবেন।”

তিনি জানান, এই বিষয়গুলিতে ভারত সব অংশীদার দেশের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

বিশ্ব পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনিশ্চিত আন্তর্জাতিক পরিবেশে বাণিজ্য ও প্রযুক্তিকে সংকীর্ণ স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে, যার ফলে পারস্পরিক আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে।

মোদি বলেন, “বর্তমানে পারস্পরিক আস্থাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সম্পদ। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে আজ বিশ্বের সমস্যা সম্পদের অভাব নয়, বরং আস্থার অভাব। আমাদের অংশীদারিত্বের ভবিষ্যৎ এই আস্থা পুনর্গঠনের উপর নির্ভর করছে।”

তিনি আরও বলেন, ভারত ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’ বা ‘সমগ্র বিশ্ব এক পরিবার’— এই দর্শনে বিশ্বাস করে। তাঁর মতে, মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে উন্নয়নকে যুক্ত করতে পারলেই তা সবচেয়ে কার্যকর হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত সবসময় ‘মানবতাই সর্বাগ্রে’ এই নীতি অনুসরণ করেছে এবং আজও আমাদের সমস্ত উদ্যোগের কেন্দ্রে এই চিন্তাধারাই রয়েছে।”

Releated Posts

জাতিসংঘ সনদের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত, একে ‘আশার প্রতীক’ বলে উল্লেখ

জাতিসংঘ, ১৭ জুন (আইএএনএস): জাতিসংঘ সনদ ভারতের ১৪০ কোটিরও বেশি মানুষের কাছে ‘আশা’র প্রতীক বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রসংঘে…

ByByNews Desk Jun 17, 2026

ট্রাম্প-মোদি বৈঠককে ভারত-আমেরিকা সম্পর্ক পুনর্গঠনের সুযোগ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা

ওয়াশিংটন, ১৭ জুন (আইএএনএস): ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির…

ByByNews Desk Jun 17, 2026

বাণিজ্য ও বিনিয়োগে জোর, ভারত-জাপান সম্পর্ক আরও গভীর করার অঙ্গীকার মোদি-তাকাইচির

নয়াদিল্লি, ১৬ জুন (আইএএনএস): বাণিজ্য ও বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দিয়ে ভারত ও জাপানের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর করার অঙ্গীকার…

ByByNews Desk Jun 17, 2026

কেনিয়ার প্রেসিডেন্ট রুটোর সঙ্গে বৈঠকে মোদি, গ্লোবাল সাউথের স্বার্থে অংশীদারিত্ব জোরদারের অঙ্গীকার

নয়াদিল্লি, ১৬ জুন (আইএএনএস): গ্লোবাল সাউথের আকাঙ্ক্ষাকে ভিত্তি করে ভারত ও কেনিয়ার দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার…

ByByNews Desk Jun 17, 2026

Leave a Reply

Scroll to Top