নিজস্ব প্রতিনিধি, ধর্মনগর, ১ মার্চ: লোকসভা নির্বাচনের মুখে উত্তরে বিরোধী শিবিরে ভাঙন ক্রমশ তেজি হচ্ছে। ১৬৪ জন সংখ্যা লঘু ভোটেরকে ঘরে নিয়ে তোলতে সক্ষম হল বিজেপি। এবারের দল ত্যাগ ধর্মনগর মহকুমার ফুলবাড়ীতে। কংগ্ৰেস ও সিপিএম দল ত্যাগ করে ১৬৪ ভোটার যোগ দিলো গেরুয়া শিবিরে।
আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের মুখে রাজ্যর দিকে দিকে চলছে দল বদলের হিড়িক। উত্তর জেলায় দল ত্যাগ শুরু হয়েছে। কুর্তি কদমতলা কেন্দ্রটি লাল দূর্গ হিসাবে পরিচিত। ১৯৭৮ সাল থেকে এই বিধানসভাটি বামেদের দেখলে। ২০১৮ এবং ২০২৩ সালের বিধান সভায় গেরুয়া বাহিনী সর্ব শক্তি নিয়োগ করা সত্ত্বেও জয়ী হতে পারেনি।
বর্তমান যুব কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী টিঙ্কু রায় ২০১৮সালে সাড়ে সাত হাজার ভোটে পরাজিত হয়ে কুর্তি কদমতলা ছাড়েন। সংখ্যা লঘু ভোটার বেশি।সংখ্যা লঘু ভোটাররা সব সময়েই বামেদের পকেট ভোট হিসাবে কাজ করেছে।এইরূপ বিধানসভা কেন্দ্রের ৪৬ পরি বারের ১৬৪ জন সংখ্যালঘু ভোটার দের ঘরে তোলতে পেরে গেরুয়া শিবির উচ্চশিত।
শুক্রবার পরন্ত বেলায় কদমতলা ব্লক এলাকার চুরাইবাড়ি থানাধীন পূর্ব ফুলবাড়ী পঞ্চায়েতের খাদিমপাড়ার ৪৯ নং বুথে এই উপলক্ষে যোগদান সভা আহ্ববান করা হয়।
এই সভায় লোকমান উদ্দিন ও সাবুল মিয়ার নেতৃত্বে ৪৬ পরি বারের ১৬৪ জন সংখ্যালঘু ভোটার সি পি এম,কংগ্রেস দল ত্যাগ করে ভারতীয় জনতা পার্টির পতাকা তলে সামিল হয়।
নবাগতদের বরণ করে নেওয়ার জন্য পূর্ব থেকেই উপস্থিত ছিলেন কদমতলা-কুর্তি বিধান সভা কেন্দ্রের মন্ডল সভাপতি রাজা ধর,বিজিত প্রার্থী তথা বর্তমান বিজেপি রাজ্য কমিটির সদস্য দীলিপ তাঁতি, উত্তর ত্রিপুরা জেলা পরিষ দের সদস্যা মামনী রায় সহ বিভিন্ন পদা ধি কারিরা।উক্ত যোগদান সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপি নেতারা রাজ্য এবং কেন্দ্র সরকারের জনকল্যাণমুখী বিভিন্ন প্রকল্পের কথা তুলে ধরেন।নে তারা বলেন বস্তুত দীর্ঘদিন ধরেই কংগ্রেস সিপিএমের গোপনে মিত্রতা ছিল।বর্তমানে প্রকাশ্যে আসার কারণে পরি ষ্কার হয়ে গেছে।কংগ্রেস এবং সিপিএম রাজ্যের সাধারণ জনগণের সর্বনাশ করেছে বলে অভিযুক্ত করা হয়।

