বাঁশ ভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলা হবে চন্ডীপুরে

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৬ এপ্রিল৷৷ ঊনকোটি জেলার বেকার যুবক যুবতীদের কর্ম সংস্থানের লক্ষ্যে মন্ত্রী টিংকু রায় এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ হাতে নিয়েছেন৷ রীতিমতো মাঠে নেমে এই উদ্যোগকে খুব শীঘ্রই বাস্তবায়িত করার চেষ্টা করছেন৷ খুব শীঘ্রই শিল্প দপ্তরের উদ্যোগে বেম্বো ইন্ড্রাস্ট্রিজ প্রজেক্টের কাজ কৈলাসহরের চন্ডীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অধীনে পরিত্যক্ত সোনামুখি চা বাগান এলাকায় শুরু হবে৷ মুলত রাজ্যের বাঁশকে ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারযোগ্য উপকরণ তৈরি করা হবে৷ ১৬এপ্রিল রোববার দুপুরে কৈলাসহরের চন্ডীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অধীনে সোনামুখি চা বাগান এলাকাটি পরিদর্শন করেন মন্ত্রী টিংকু রায়৷ পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সাথে সরকারি আধিকারিকও উপস্থিত ছিলেন৷ সকাল এগারোটায় সোনামুখি চা বাগান এলাকা পরিদর্শন করে দুপুর বারোটায় কৈলাসহরের সার্কিট হাউসে বৈঠকে বসেন মন্ত্রী সহ দপ্তরের আধিকারিকরা৷ সোনামুখি চা বাগান এলাকাটি পরিদর্শনে এবং সার্কিট হাউসের বৈঠকে মন্ত্রী টিংকু রায় ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্য শিল্প দপ্তরের যুগ্ম অধিকর্তা সুভাষ দাস, ঊনকোটি জেলা পরিসদের সহকারী সভাধিপতি শ্যামল দাস, ঊনকোটি জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক সুশান্ত সরকার, জেলার ডেপুটি মাজিস্ট্রেট সুরজ দেববর্মা, মতি দেববর্মা সহ আরও অন্যান্য আধিকারিকরা৷ সার্কিট হাউসের বৈঠকটি প্রায় দুই ঘন্টা সময় ধরে চলে৷ বৈঠক শেষে মন্ত্রী টিংকু রায় জানান যে, মুলত রাজ্যের বাঁশ নিয়ে বিভিন্ন কলকারখানা তৈরি করা হবে৷ এই কলকারখানার জন্য মোট ৬৫একর জায়গার প্রয়োজন৷ ইতিমধ্যেই বিগত কয়েক বছর পূর্বে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে পরিত্যক্ত সোনামুখি চা বাগানের সম্পুর্ন জায়গাকে খাস ঘোষণা করে শিল্প দপ্তরের হাতে তোলে দেয়৷ সোনামুখি চা বাগানে শিল্প দপ্তরের মোট আড়াইশো একর জায়গা রয়েছে৷ এই আড়াইশো একর জায়গার মধ্যে ৬৫একর জায়গায় গড়ে তোলা হবে বেম্বো প্রজেক্ট ইন্ড্রাসট্রিজ৷ বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে খুব শীঘ্রই প্রশাসনিক কাজ শেষ করে বাগানের মাটি কাটা শুরু করে বেম্বো প্রজেক্ট ইন্ড্রাস্ট্রিজের ঘর নির্মানের কাজ শুরু করা হবে