News Flash

  • Home
  • দেশ
  • উমেশ-হত্যা মামলার অভিযুক্ত উসমান এনকাউন্টারে নিকেশ, আতিক এখনও অধরা
Image

উমেশ-হত্যা মামলার অভিযুক্ত উসমান এনকাউন্টারে নিকেশ, আতিক এখনও অধরা

প্রয়াগরাজ, ৬ মার্চ (হি.স.): উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজে পুলিশের সঙ্গে গুলির লড়াই মৃত্যু হয়েছে উমেশ পাল হত্যা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত বিজয় ওরফে উসমানের। সোমবার সকাল ৫.৩০ মিনিট নাগাদ প্রয়াগরাজের কাউন্ধিয়ারা থানা এলাকায় পুলিশ এবং অভিযুক্ত বিজয় ওরফে উসমানের মধ্যে এনকাউন্টার শুরু হয়। সেই এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে উসমানের। সোমবার সকালে প্রয়াগরাজের পুলিশ কমিশনার রমিত শর্মা জানিয়েছেন, প্রয়াগরাজের কাউন্ধিয়ারা থানা এলাকায় পুলিশ ও উসমানের মধ্যে গুলির লড়াই চলে। গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে উসমানের।

প্রয়াগরাজের নেহেরু হাসপাতালের জরুরি মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ বদ্রী বিশাল সিং বলেছেন, “মৃত অবস্থায় আনা হয় রোগী উসমানকে। আমরা পরীক্ষা করার পর মৃত ঘোষণা করা হয় এবং দেহ মর্গে পাঠানো হয়।” এনকাউন্টারে উসমানের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিজেপি বিধায়ক শলভ মণি ত্রিপাঠী টুইট করেছেন, “ভয়ঙ্কর খুনি উসমান পুলিশের সঙ্গে এনকাউন্টারে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গিয়েছে।” সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে তাঁকে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল দু’হাতে বন্দুক চেপে ধরে নির্ভুল লক্ষ্যে একের পর এক গুলি ফুঁড়ে দিতে উল্টোদিকের মানুষটির শরীরে। উত্তর প্রদেশের বহুচর্চিত বিধায়ক খুনের ঘটনায় মূল সাক্ষী উমেশ পালের হত্যাকারী সেই যুবককে এনকাউন্টারে খতম করল উত্তর প্রদেশ পুলিশ। যদিও এই ঘটনার নেপথ্যে থাকার অভিযোগ রয়েছে যে সমাজবাদী পার্টির সাংসদ আতিক আহমেদের বিরুদ্ধে তিনি এখনও ধরা ছোঁয়ার বাইরে।

উত্তর প্রদেশের উপ-মুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক বলেছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ ও এসটিএফ মোতায়েন করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে। পুলিশ অভিযুক্তকে গুলি করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে। জড়িত সবাই আইনের আওতায় আসবে। এই নিয়ে উমেশ হত্যার পর উত্তর প্রদেশ পুলিশের দ্বিতীয় এনকাউন্টার এটি। তবে এই প্রথম হত্যাকারীদের একজনকে খতম করল পুলিশ। এর আগে খুনিদের ব্যবহৃত এসইউভি গাড়ির চালককে এনকাউন্টারে মেরেছিল উত্তর প্রদেশ পুলিশ। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় গ্রেফতারও করা হয়েছে একজনকে।

২০০৫ সালে উত্তর প্রদেশে বহুজন সমাজ পার্টির (বিএসপি) বিধায়ক রাজু পাল খুন হয়েছিলেন। অভিযোগ উঠেছিল কুখ্যাত দুষ্কৃতী তথা প্রাক্তন সাংসদ আতিকের বিরুদ্ধে। সেই মামলার মূল সাক্ষী ছিলেন রাজুর বন্ধু উমেশ। গত কয়েক বছরে একাধিক বার আক্রান্ত হয়েছিলেন উমেশ। জীবনহানির আশঙ্কায় প্রশাসন দু’জন পুলিশকর্মীকে উমেশের দেহরক্ষী হিসাবে নিয়োগ করেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেহরক্ষীর উপস্থিতিতেই প্রয়াগরাজের রাস্তায় প্রকাশ্যে উমেশকে খুন করা হয়। পরে দুষ্কৃতীদের গুলিতে জখম উমেশের দুই দেহরক্ষীও হাসপাতালে চিকিৎসা চলাকালীন মারা যান।

Releated Posts

বারবার প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব পাস করল পাঞ্জাব বিধানসভা

চণ্ডীগড়, ৩ আগস্ট (আইএএনএস): দেশের বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রের বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের…

ByBySandeep Biswas Aug 3, 2026

সংসদকে আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা উচিত, বিরোধীদের বড় সম্পদ সংসদ: শশী থারুর

নয়াদিল্লি, ৩ আগস্ট (আইএএনএস): সংসদকে আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করার ওপর জোর দিয়ে কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর সোমবার বলেন,…

ByByNews Desk Aug 3, 2026

তিন বছরের মধ্যে ভারত-উজবেকিস্তান দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য দ্বিগুণ করার আহ্বান পীযূষ গোয়েলের

নয়াদিল্লি, ৩ আগস্ট (আইএএনএস): আগামী তিন বছরের মধ্যে ভারত ও উজবেকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য দ্বিগুণ করার লক্ষ্যে যৌথভাবে…

ByByNews Desk Aug 3, 2026

জেপিএসসি-জেএসএসসি অনিয়মের অভিযোগে আন্দোলন তীব্র, ‘সরকারকে মাথা নত করতেই হবে’ দাবি ঝাড়খণ্ডের পড়ুয়াদের

রাঁচি, ৩ আগস্ট (আইএএনএস): ঝাড়খণ্ড পাবলিক সার্ভিস কমিশন (জেপিএসসি) এবং ঝাড়খণ্ড স্টাফ সিলেকশন কমিশন (জেএসএসসি)-এর বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায়…

ByByNews Desk Aug 3, 2026
Scroll to Top