আগরতলা ১৩ ডিসেম্বর: সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তরের কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের প্রকল্পগুলি বাস্তবায়নে সরকার অগ্রাধিকার দিয়েছে। এই কাজে দপ্তরের সকলস্তরের আধিকারিক ও কর্মচারিদের আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে হবে। এই দপ্তর মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত বিভিন্ন কল্যাণমূলক কাজে যুক্ত। আজ প্রজ্ঞাভবনের ২নং প্রেক্ষাগৃহে সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তরের কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে এক পর্যালোচনা বৈঠকে সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা মন্ত্রী সান্তনা চাকমা একথা বলেন। বৈঠকে দপ্তরের সচিব তাপস কুমার রায়, অধিকর্তা স্মিতা মল, অতিরিক্ত অধিকর্তা এল রাঞ্চল ছাড়াও দপ্তেরের উপঅধিকর্তা, ডিস্ট্রিক্ট প্রোগ্রাম অফিসার, এডিসি’র আধিকারিক সহ সিডিপিওগণ অংশ নেন।
পর্যালোচনা বৈঠকে সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা মন্ত্রী সান্তনা চাকমা বলেন, দপ্তরের প্রতিটি জেলা ও মহকুমা ভিত্তিক কাজের পর্যালোচনা করার জন্য এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের যে সামাজিক ভাতা রয়েছে তা যেন সঠিকভাবে সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছায়। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী মাত্র বন্দনা যোজনা, মুখ্যমন্ত্রী মাত্র পুষ্টি উপহার, পোষণ অভিযান প্রকল্পের সুবিধা গর্ভবতী মহিলা ও শিশুদের কাছে পৌঁছায়। কেউ যাতে অপুষ্টিতে না ভোগেন। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিকে আরও কিভাবে আরও শক্তিশালী করা যায় তা দপ্তরকে দেখতে হবে।
পর্যালোচনা বৈঠকে সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তরের সচিব তাপস কুমার রায় বলেন, দপ্তরের উন্নয়ন কর্মসূচির সুফল যথাযথভাবে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছে দিতেই এই পর্যালোচনা বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। বৈঠকে সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তরের অধিকর্তা স্মিতা মল দপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে আলোচনা করেন। পর্যালোচনা বৈঠকে নিবিড় শিশু উন্নয়ন প্রকল্প, প্রধানমন্ত্রী মাত্র বন্দনা যোজনা, পোষণ অভিযান, মুখ্যমন্ত্রী মাত্র পুষ্টি উপহার, মিশন বাৎসল্য, সামাজিক ভাতা, মহিলা কল্যাণ, প্রি স্কুল এডুকেশন কিটস, এলপিজি গ্যাস সংযোগ, ওয়ান স্টপ সেন্টার সহ দপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
পর্যলোচনা বৈঠকে জানানো হয়, রাজ্যে এখন ৯,৯১১টি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র চালু রয়েছে। আরও ২ ১৫টি নতুন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র খোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে ব্লু (রিয়াং) শরণার্থী এলাকাতে ৪২টি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র খোলার অনুমোদন পাওয়া গেছে।



















