নয়াদিল্লি, ২২ জুলাই ( হি.স.) : শুক্রবার ৬৮তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ঘোষণা হল। নিজের প্রযোজিত ছবি ‘তানহাজী: দ্য আনসাং ওয়ারিয়র’-এর জন্য সেরা অভিনেতার শিরোপা জিতেছেন অজয় দেবগণ। জয়ের আনন্দে উচ্ছ্বসিত অভিনেতা-প্রযোজক।
দক্ষিণী তারকা সুরিয়ার সঙ্গে সেরা অভিনেতার পুরস্কার ভাগ করে নিয়েছেন অজয়। তামিল চলচ্চিত্র ‘সুরারাই পোত্রু’-তে অভিনয়ের জন্য সুরিয়াও যুগ্ম ভাবে সেরা অভিনেতা নির্বাচিত হন। সেরা অভিনেতা হিসেবে এর আগে দু’বার জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন অজয়। ১৯৯৮ সালে ‘জখম’ এবং ২০০২ সালে ‘দ্য লেজেন্ড অব ভগত সিং’ তাঁকে এই সাফল্য এনে দিয়েছিল।
এদিন নয়াদিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলনে এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। তুলসীদাস জুনিয়র হল একটি স্পোর্টস ড্রামা ফিল্ম, যা একটি ১৩ বছরের ছেলের গল্প বলে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন মৃদুল গুপ্তা। ছবিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন সঞ্জয় দত্ত, রাজীব কাপুর এবং বরুণ বুদ্ধদেব। এছাড়াও মালয়ালম চলচ্চিত্র এ কে আয়াপ্পান কোশিয়ামের জন্য সেরা পরিচালকের পুরস্কার প্রয়াত পরিচালক সচিদানন্দ কেআরকে মরণোত্তর দেওয়া হবে।
এক নজরে সব বিভাগঃ সেরা অভিনেতা- অজয় দেবগন (ছবি-তানহাজি) সুরিয়া (ছবি-সুরারাই পত্রু), সেরা অভিনেত্রী- অপর্ণা বালামুরালী, সেরা ছবি-সুরারাই পোত্রু, সেরা বিনোদনমূলক ছবি- তানাজি, সেরা হিন্দি ছবি – তুলসীদাস জুনিয়র, সেরা পরিচালক- শচীনন্দন কে আর (ছবি-এ কে আয়াপ্পানুম কোশিয়ুম) (মালয়ালম)। সেরা পার্শ্ব অভিনেতা বিজু মেনন (ছবি-এ কে আয়াপ্পানুম কোশিয়ুম ) (মালয়ালম)। সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী- লক্ষ্মীপ্রিয়া চন্দ্রমৌলি (ছবি-শিবরাঞ্জনিয়ুম ইনুম সিলা পেঙ্গালুম) (তামিল)।
সেরা সংগীত পরিচালক- বিশাল ভরদ্বাজ ( গান-১২৩২ কিলোমিটার মারেঙ্গে তো ওহি যা কর)। সামাজিক বিষয় নিয়ে তৈরি সেরা ছবি- জাস্টিস ডিলেইড বাট ডেলিভারড এবং থ্রি সিস্টার্স। সেরা বাংলা ছবি- অভিযাত্রিক ( পরিচালক শুভ্রজিৎ মিত্র)। সেরা সিনেমাটোগ্রাফি – অভিযাত্রিক ( পরিচালক শুভ্রজিৎ মিত্র)।
সেরা গায়িকা- নানচাম্মা (ছবি-এ কে আয়াপ্পানুম কোশিয়ুম) (মালয়ালম)। সেরা গায়ক- রাহুল দেশপান্ডে (ছবি- মি বসন্তরাও) (মারাঠি)। সেরা শিশু চলচ্চিত্র- সুমি (মারাঠি)। সেরা চিত্রনাট্য (অরিজিনাল): শালিন উষা নায়ার এবং সুধা কোঙ্গারা (ছবি-সোরারাই পোত্রু) (তামিল)। সেরা সম্পাদনা: শ্রীকর প্রসাদ (ছবি- শিভারঞ্জনিয়ুম ইনুম সিলা পেঙ্গালুম) (তামিল)
কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর সকল বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, করোনার কারণে দেশের সামনে বিশেষ করে চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য অনেক চ্যালেঞ্জ ছিল। ছবির শুটিং বন্ধ করা বা প্রেক্ষাগৃহে উপস্থিত না হওয়া নিজের মধ্যে একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। তা সত্ত্বেও অনেক ভালো চলচ্চিত্র জুরিতে এসেছে।

