উদয়পুর, ১৭ সেপ্টেম্বর: ঐতিহাসিক মা ত্রিপুরাসুন্দরী মন্দিরকে কেন্দ্র করে বার্ষিক দীপাবলি মেলার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। আগামী ৬ থেকে ৮ নভেম্বর তিন দিনব্যাপী ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক এই মেলা অনুষ্ঠিত হবে। মেলাকে ঘিরে বৃহস্পতিবার গোমতী জেলাশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রথম সমন্বয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন গোমতী জেলা পরিষদের সভাধিপতি দেবল দেব রায়। উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক অভিষেক দেব রায়, গোমতী জেলার জেলাশাসক রিঙ্কু লাথার-সহ বিভিন্ন দপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।
মেলার সময় নিরাপত্তা ও নজরদারি ব্যবস্থা আরও জোরদার করার বিষয়টি বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব পায়। মেলা চলাকালীন ড্রোন ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মেলা প্রাঙ্গণ ও মন্দির চত্বরে গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে। এর মাধ্যমে দর্শনার্থী ও পুণ্যার্থীদের চলাচলের উপর নজর রাখা হবে।
ধর্মীয় আয়োজনের পাশাপাশি মেলায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও থাকছে। প্রতিদিন সন্ধ্যায় মেলা প্রাঙ্গণের মুক্তমঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। ত্রিপুরার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিল্পীরাও এই অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।
মেলার কাজ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা এবং বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে একটি কেন্দ্রীয় আয়োজক কমিটি এবং ১৪টি উপ-কমিটি গঠন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় আয়োজক কমিটির নেতৃত্বে থাকবেন সভাধিপতি দেবল দেব রায়।
ইতিমধ্যেই ভিড় নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা, পরিকাঠামো, পরিবহণ ও অন্যান্য লজিস্টিক ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। তিন দিনব্যাপী এই মেলা সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
উদয়পুরের ঐতিহাসিক মা ত্রিপুরাসুন্দরী মন্দিরকে দেশের ৫১টি শক্তিপীঠের অন্যতম হিসেবে ঐতিহ্যগতভাবে গণ্য করা হয়। ফলে প্রতি বছর দীপাবলি উপলক্ষে এই মেলায় বিপুল সংখ্যক পুণ্যার্থী ও দর্শনার্থীর সমাগম হয়।
























