আগরতলা, ১৭ সেপ্টেম্বর: ২০২৭ সালের জনগণনায় ‘ত্রিপুরা’ জনজাতি এবং ত্রিপুরা ভাষার পৃথক গণনা ও পরিসংখ্যান প্রকাশের দাবি নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল কেন্দ্র। ত্রিপুরা জনগণনা পরিচালনালয়ের কাছে পাঠানো প্রতিনিধিত্বের জবাবে জানানো হয়েছে, তফসিলি জনজাতির গণনা শুধুমাত্র সরকারিভাবে বিজ্ঞাপিত তালিকা অনুযায়ী করা হয়। কোনও মূল এন্ট্রির অধীনে থাকা উপ-এন্ট্রির জন্য পৃথক পরিসংখ্যান প্রকাশের বিধান নেই।
ত্রিপুরার জনগণনা পরিচালনালয়ের অধিকর্তাকে পাঠানো চিঠিতে সহকারী রেজিস্ট্রার জেনারেল (সামাজিক সমীক্ষা) অনু ভাবনা ১৮ জুন, ২০২৬-এর চিঠির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে জানান, জনগণনায় তফসিলি জনজাতির তথ্য বিজ্ঞাপিত তালিকা অনুযায়ীই নথিভুক্ত করা হয়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ত্রিপুরার বিজ্ঞাপিত তফসিলি জনজাতির তালিকায় ১৮ নম্বর ক্রমিকে ‘Tripura, Tripuri, Tippera’ একই এন্ট্রির অধীনে রয়েছে। ফলে এই এন্ট্রির অন্তর্ভুক্ত উপ-এন্ট্রির পৃথক পরিসংখ্যান জনগণনায় প্রকাশ করা হবে না।
তবে মাতৃভাষার ক্ষেত্রে পৃথক নিয়ম প্রযোজ্য। জনগণনার সময় উত্তরদাতা তাঁর মাতৃভাষা হিসেবে যে ভাষার নাম উল্লেখ করবেন, সেই তথ্যই নথিভুক্ত করা হবে বলে চিঠিতে জানানো হয়েছে।
ত্রিপুরা জনজাতি ও ত্রিপুরা ভাষাকে পৃথকভাবে গণনা এবং তার পরিসংখ্যান প্রকাশের দাবি জানিয়ে ত্রিপুরা জনগণনা পরিচালনালয়ের পক্ষ থেকে কেন্দ্রের কাছে প্রতিনিধিত্ব করা হয়েছিল। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই কেন্দ্রের এই জবাব।



















