আগরতলা, ১৭ সেপ্টেম্বর: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে উন্নয়নের সুফল সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে এবং উন্নয়নের ধারায় কেউ পিছিয়ে থাকবে না। মোহনপুরের দক্ষিণ তারানগর গ্রাম পঞ্চায়েতে ভারত সরকারের রাষ্ট্রীয় বয়শ্রী যোজনা এবং দিব্যাঙ্গজন ব্যক্তিদের সহায়তা প্রকল্প-এর আওতায় আয়োজিত ৭৬তম সামাজিক অধিকারিতা শিবিরে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী রতন লাল নাথ এ কথা বলেন।
দিব্যাঙ্গজনদের কল্যাণে কেন্দ্রের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সহানুভূতির পরিবর্তে দিব্যাঙ্গজনদের ক্ষমতায়ন ও স্বনির্ভরতার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। ‘দিব্যাঙ্গ’ শব্দটি তাঁদের মর্যাদা ও সক্ষমতার প্রতিফলন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, দিব্যাঙ্গজনদের প্রতি সামাজিক সংবেদনশীলতা এবং তাঁদের স্বনির্ভর করে তুলতে সমাজের সকলের সম্মিলিত দায়িত্ব রয়েছে। সরকারি প্রকল্পগুলির সুফল যাতে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করতে সামাজিক সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের কথাও এদিন তুলে ধরেন রতন লাল নাথ।
তিনি বলেন, সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে প্রধানমন্ত্রী মোদি গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে জনজীবনে প্রায় ২৫ বছর পূর্ণ করেছেন।
কেন্দ্রের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী জনধন যোজনা, প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনা এবং স্বচ্ছ ভারত অভিযান সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে। জনধন যোজনার মাধ্যমে সাধারণ মানুষ ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পাশাপাশি সরকারি সহায়তা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। এতে মধ্যস্বত্বভোগীদের ওপর নির্ভরতা কমেছে বলেও তিনি জানান।
উজ্জ্বলা যোজনার মাধ্যমে মহিলাদের ও পরিবারগুলিকে এলপিজি সংযোগ দেওয়া এবং স্বচ্ছ ভারত অভিযানের মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ গড়ে তোলার উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, আবাসন ও পানীয় জলের সুযোগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সরকার একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
রতন লাল নাথ বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে জনকল্যাণে একের পর এক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। উন্নয়নের সুফল সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই সরকারের লক্ষ্য। এই উন্নয়নের পরিধির বাইরে যেন প্রবীণ নাগরিক এবং দিব্যাঙ্গজনরাও না থাকেন, তা নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।



















