নয়াদিল্লি, ৭ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): ইঞ্জিনের তেলের চাপ সংক্রান্ত সতর্কবার্তা পাওয়ার পর নিরাপত্তা বিধি মেনে আবু ধাবিগামী এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের একটি বিমান কোচি বিমানবন্দরে ফিরে আসে। সোমবার এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের পক্ষ থেকে এই ঘটনার বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে।
বোয়িং ৭৩৭ বিমানটি কোচিন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আবু ধাবির উদ্দেশে উড্ডয়নের প্রায় ৫০ মিনিট পর ৩৬ হাজার ফুট উচ্চতায় ছিল। সেই সময় বিমানের প্রথম ইঞ্জিনে দ্রুত তেলের পরিমাণ কমে যাওয়ার বিষয়টি নজরে আসে। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পাইলটরা নিরাপত্তার স্বার্থে বিমানের গতিপথ পরিবর্তন করে কোচিতে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন।
এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের এক মুখপাত্র বলেন, “এক সপ্তাহ আগে আমাদের কোচি-আবু ধাবি রুটের একটি বিমান প্রতিষ্ঠিত নিরাপত্তা প্রোটোকল মেনে আকাশপথে ফিরে এসেছিল।” তিনি আরও বলেন, ঘটনার সময়সীমা ও প্রাসঙ্গিক তথ্য বাদ দিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলে যাত্রী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় উদ্বেগ তৈরি হতে পারে।
জানা গিয়েছে, পাইলটরা বিমান চলাচলে ব্যবহৃত কাঠামোবদ্ধ সিদ্ধান্ত গ্রহণ পদ্ধতি ফোরডেক-এর মাধ্যমে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করেন। ইঞ্জিনে তেলের পরিমাণ ক্রমাগত কমতে থাকায় কোচিতে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর কমান্ডার মুম্বই রেডিওর মাধ্যমে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলকে বিষয়টি জানান এবং বিমানটি ফের কোচির দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়।
ফেরার পথে ক্রুরা ইঞ্জিনের বিভিন্ন প্যারামিটার পর্যবেক্ষণ করতে থাকেন এবং সম্ভাব্য পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নেন। রিপোর্ট অনুযায়ী, বিমানটি ফিরে আসার প্রায় ৪৫ মিনিট পর প্রথম ইঞ্জিনের তেলের চাপ ওঠানামা করতে শুরু করে এবং ককপিটের গেজে রেড জোনে পৌঁছে যায়। তবে শেষ পর্যন্ত বিমানটি কোচিন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করে।
পরবর্তীতে যাত্রীদের বিকল্প একটি বিমানে আবু ধাবি পৌঁছে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস।
এর আগে গত আগস্টেও এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের একটি বিমানকে ঘিরে নিরাপত্তাজনিত ঘটনা ঘটে। দাম্মাম থেকে দিল্লিগামী ওই বিমানের শৌচাগারে বোমা হামলার হুমকি লেখা একটি টিস্যু পেপার পাওয়া যাওয়ার পর বিমানটি আহমেদাবাদে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। বিমান থেকে ৪০ জন যাত্রীকে নিরাপদে নামিয়ে তল্লাশি করা হয়।
________



















