রাঁচি, ১৫ আগস্ট (আইএএনএস): প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘যুবশক্তি’কে কাজে লাগিয়ে দেশগঠনের আহ্বানকে স্বাগত জানিয়েছেন ঝাড়খণ্ডের আন্দোলনরত পড়ুয়ারা। একইসঙ্গে পরীক্ষা প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারকে সর্বোচ্চ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লার প্রাচীর থেকে জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের যুবসমাজের শক্তি ও সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগিয়ে জাতি গঠনের প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা হবে। ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্য পূরণে যুবকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলেও তিনি জানান।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে সমর্থন করে ছাত্রনেতা রবীশঙ্কর বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্য—উভয় সরকারের কাছেই যুবসমাজের বিষয়টি অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত।
তিনি বলেন, নিট ছাড়াও একাধিক কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ঝাড়খণ্ডেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। তাঁর কথায়, দেশের ভবিষ্যৎ যুবসমাজের হাতে এবং তাঁরা আত্মনির্ভর না হলে ভারতও ‘আত্মনির্ভর’ হতে পারবে না।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোরতম শাস্তির ব্যবস্থা করার জন্য কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন জানান তিনি।
আরেক আন্দোলনকারী নীতেশ সিনহাও যুবসমাজ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে সমর্থন করেন। তবে তাঁর দাবি, সক্ষম যুবকদের দেশগঠনে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হলে প্রথমেই প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধ করতে হবে।
এদিকে আন্দোলনকারী রামঅবতার মাহাতোও প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে স্বাগত জানালেও ঝাড়খণ্ডের অধিকার সংক্রান্ত বিষয় তুলে ধরেন। তাঁর অভিযোগ, স্বাধীনভাবে কর আরোপের মতো রাজ্যের কিছু অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের হাতে সমস্ত ক্ষমতা চলে গেলে তার অপব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি ঝাড়খণ্ড পাবলিক সার্ভিস কমিশন এবং ঝাড়খণ্ড স্টাফ সিলেকশন কমিশন-এর পরীক্ষায় অনিয়মের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। পাশাপাশি, খনিজ অধিকার ও জমির ওপর রাজ্যের স্বাধীন কর ও সেস আরোপের ক্ষমতা সীমিত করার অভিযোগ তুলে খনি এবং খনিজ পদার্থ সংশোধনী বিল, 2026 প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি।
জেপিএসসি ও জেএসএসসি-এর নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে ঝাড়খণ্ডে পড়ুয়াদের আন্দোলন চলছে।
























