News Flash

  • Home
  • মুখ্য খবর
  • ত্রিপুরার জৈব কৃষিপণ্যের আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ছে চাহিদা, আগরতলায় ৫১ বিদেশি ক্রেতার অংশগ্রহণ
Image

ত্রিপুরার জৈব কৃষিপণ্যের আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ছে চাহিদা, আগরতলায় ৫১ বিদেশি ক্রেতার অংশগ্রহণ

আগরতলা, ১০ আগস্ট: ত্রিপুরায় জৈব চাষের পরিধি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগে যেখানে রাজ্যে প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমিতে জৈব চাষ হতো, বর্তমানে সেই পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬ হাজার হেক্টরে। একইসঙ্গে প্রায় ৪৭ হাজার কৃষক বর্তমানে জৈব কৃষির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন কৃষি ও কৃষক কল্যাণমন্ত্রী রতন লাল নাথ।

সোমবার আগরতলার একটি পাঁচতারা বেসরকারি হোটেলে আয়োজিত আন্তর্জাতিক অর্গানিক বায়ার-সেলার মিটের পাশে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।
রতন লাল নাথ বলেন, কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যকে গ্রাম, জেলা ও রাজ্যস্তর থেকে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তুলে ধরতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কৃষকদের নিজেদের উৎপাদিত পণ্য প্রদর্শন ও বাজারজাত করার সুযোগ করে দেওয়ার পাশাপাশি ফার্মার প্রোডিউসার অর্গানাইজেশন এবং ফার্মার প্রোডিউসার কোম্পানি-গুলিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

আন্তর্জাতিক বায়ার-সেলার মিটে বিদেশি ক্রেতাদের অংশগ্রহণের বিষয়টিও বিশেষভাবে তুলে ধরেন কৃষিমন্ত্রী। তিনি জানান, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ফিলিপাইন, দক্ষিণ কোরিয়া ও মিশরসহ বিভিন্ন দেশ থেকে মোট ৫১ জন আন্তর্জাতিক ক্রেতা এই বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। ত্রিপুরার কৃষিপণ্যের প্রতি আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আগ্রহ রাজ্যের জৈব উৎপাদনের গ্রহণযোগ্যতা ও সম্ভাবনা বাড়ারই ইঙ্গিত বলে জানান তিনি।

আন্তর্জাতিক বাজারে ত্রিপুরার অন্যতম পরিচিত পণ্য ‘কুইন পাইন্যাপল’। এর পাশাপাশি সাবরি কলা, কাঁঠাল, সুগন্ধি লেবু, কুমড়ো, আদা এবং উন্নতমানের হলুদও আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে। এসব কৃষিপণ্যের গুণমান ও বাজার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে রাজ্যের কৃষকদের আয় বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী।

রতন লাল নাথ আরও বলেন, ত্রিপুরার অর্থনীতিতে কৃষি ও কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। রাজ্যের গ্রস স্টেট ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট-তে কৃষি খাতের অবদান প্রায় ৪৮ শতাংশ। অন্যদিকে পরিষেবা খাতের অবদান প্রায় ৪১ শতাংশ।

আন্তর্জাতিক এই ক্রেতা-বিক্রেতা বৈঠকের মাধ্যমে ত্রিপুরার জৈব ও কৃষিজ পণ্য বিদেশের বাজারে আরও বেশি করে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের জন্য নতুন বাজার সৃষ্টি এবং মূল্য সংযোজনের মাধ্যমে তাঁদের আর্থিকভাবে আরও স্বনির্ভর করে তোলার উদ্যোগও জোরদার হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Releated Posts

অব্যবহৃত চা-বাগানের জমি শিল্প ও পর্যটন প্রকল্পে ব্যবহারের পরিকল্পনা: মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ২৪ সেপ্টেম্বর: ত্রিপুরায় চা চাষের জন্য বরাদ্দ করা হলেও বর্তমানে অব্যবহৃত জমি শিল্প ও পর্যটন প্রকল্পের জন্য…

ByByTaniya Chakraborty Sep 24, 2026

ভিলেজ কমিটি নির্বাচন: উত্তর ত্রিপুরায় ভোটের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা এসইসি-র

ধর্মনগর, ২৪ সেপ্টেম্বর: আসন্ন এডিসি ভিলেজ কমিটি নির্বাচনকে সামনে রেখে উত্তর ত্রিপুরা জেলায় নির্বাচনী প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা…

ByByTaniya Chakraborty Sep 24, 2026

টেট উত্তীর্ণ ১৮৫৬ জনকে একসঙ্গে নিয়োগের দাবিতে বিক্ষোভ, আন্দোলনে জলকামান প্রয়োগ, গ্রেফতার চাকরিপ্রার্থীরা

আগরতলা, ২৪ সেপ্টেম্বর: ২০২৪ সালে টেট-১ ও টেট-২ উত্তীর্ণ ১,৮৫৬ জন চাকরিপ্রার্থীর একসঙ্গে নিয়োগের দাবিতে বৃহস্পতিবার ফের বিক্ষোভে…

ByByReshmi Debnath Sep 24, 2026

মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে বিভিন্ন জটিল রোগের চিকিৎসার আশ্বাস পেয়ে ফিরে গেলেন সাহায্য প্রত্যাশীরা

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৩ সেপ্টেম্বর: চিকিৎসা পরিষেবার ক্ষেত্রে অতীতে রাজ্যে যা অসম্ভব ছিল বর্তমানে তা সম্ভব হচ্ছে। চিকিৎসা…

ByByReshmi Debnath Sep 23, 2026
Scroll to Top