আগরতলা, ২৯ জুলাই : বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌজন্য উপহার হিসেবে ত্রিপুরার সুস্বাদু কিউ আনারস পাঠালেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক (ডা.) মানিক সাহা। আজ আগরতলার আখাউড়া ইন্টিগ্রেটেড চেক পোস্ট (আইসিপি) দিয়ে ৬০০টি কিউ আনারস বাংলাদেশের পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের সচিব অপূর্ব রায়।
এদিন আখাউড়া সীমান্তে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সরকারের কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের সচিব অপূর্ব রায়, কৃষি দপ্তরের অধিকর্তা ডা. ফণিভূষণ জমাতিয়া, কনসালট্যান্ট ডা. রাজীব ঘোষ, শান্তনু দেববর্মা, ল্যান্ড পোর্ট অথরিটি অব ইন্ডিয়ার আধিকারিক দেবাশীষ মজুমদার-সহ অন্যান্য আধিকারিকরা।অন্যদিকে, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে চট্টগ্রামে অবস্থিত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের অ্যাসিস্ট্যান্ট কনসাল অফিসার পঙ্কজজ্যোতি দাস, আধিকারিক সজীব চক্রবর্তী-সহ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিন কৃষি সচিব অপূর্ব রায় জানান, সম্প্রতি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সৌজন্য উপহার হিসেবে আম পাঠানো হয়েছিল। তারই প্রতিউত্তরে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে কিউ আনারস পাঠানো হয়েছে। এর মাধ্যমে দুই দেশের পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এদিকে, কৃষি দপ্তরের অধিকর্তা ডা. ফণিভূষণ জমাতিয়া জানান, ত্রিপুরায় মূলত কিউ ও কুইন—এই দুই ধরনের আনারসের চাষ হয়। এর মধ্যে জিআই ট্যাগপ্রাপ্ত কুইন আনারস বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। সাধারণত মে থেকে জুলাই মাসের মধ্যে কুইন আনারসের ফলন হয়ে থাকে। কিউ আনারসের ফলন মূলত জুলাই ও আগস্ট মাসে হয়। কিউ আনারসের এখনও জিআই ট্যাগ নেই। ত্রিপুরা ছাড়াও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বেশ কয়েকটি রাজ্যে এই জাতের আনারসের চাষ হয়ে থাকে।
কৃষি অধিকর্তা আরও জানান, কুইন আনারসের ফলন মরশুম শেষ হয়ে যাওয়ায় এবার বাংলাদেশে সৌজন্য উপহার হিসেবে কিউ জাতের আনারস পাঠানো হয়েছে।
তাঁর কথায়, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের একটা সুসম্পর্ক রয়েছে। সব সময় চেষ্টা করা হয় যেন প্রতীক হিসেবে কিছু মাধ্যমে বিনিময়ের দ্বারা এই সুসম্পর্ক বজায় থাকে। এদিন মোট ১০০টি প্যাকেটে রাজ্যের উন্নতমানের কিউ জাতের ৬০০টি আনারস উপহার হিসেবে পাঠানো হয়েছে। প্রতিটি প্যাকেটে ছয়টি করে আনারস রাখা হয়। প্রতি আনারসের ওজন প্রায় ৭৮০ গ্রাম।



















