গান্ধীনগর, ২৭ জুলাই (আইএএনএস): ২০২৬ সালে জাপানের আইচি-নাগোয়ায় অনুষ্ঠিত হতে চলা ২০তম এশিয়ান গেমসে এবার গুজরাট থেকে রেকর্ড সংখ্যক ৯ জন ক্রীড়াবিদ এবং একজন রিজার্ভ খেলোয়াড় ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন। রাজ্যের ইতিহাসে এটাই এশিয়ান গেমসে সর্বাধিক প্রতিনিধিত্ব।
আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত জাপানের আইচি-নাগোয়ায় অনুষ্ঠিত হবে এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। ২০১৪ সালের এশিয়ান গেমসে যেখানে গুজরাট থেকে মাত্র তিনজন ক্রীড়াবিদ ভারতের হয়ে অংশ নিয়েছিলেন, সেখানে এবার সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে নয়।
ভারতের দলে সুযোগ পাওয়া গুজরাটের ক্রীড়াবিদরা হলেন— শুটিংয়ে এলাভেনিল ভালারিভান, টেবিল টেনিসে হারমিত দেশাই, মানব ঠাক্কর ও মানুষ শাহ, সফট টেনিসে অনিকেত প্যাটেল, সাঁতারে আর্যন নেহরা, টেনিসে অঙ্কিতা রায়না ও বৈদেহী চৌধারি এবং অ্যাথলেটিক্সে স্প্রিন্টার দেবযানী জালা। টেনিস খেলোয়াড় জিল দেশাইকে রিজার্ভ হিসেবে রাখা হয়েছে।
গুজরাটের উপ-মুখ্যমন্ত্রী হর্ষ সঙ্ঘভি বলেন, দীর্ঘমেয়াদি ক্রীড়া উন্নয়ন পরিকল্পনার ফলেই এই সাফল্য এসেছে।
তিনি বলেন, “তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্যোগে খেল মহাকুম্ভ থেকে শক্তিদূত যোজনার মতো বিভিন্ন প্রকল্প চালু করা হয়েছিল, যাতে গুজরাটের ক্রীড়াবিদরা আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ পান। আজ সেই উদ্যোগের ফল মিলছে। গুজরাট বিশ্বমানের ক্রীড়া শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে।”
বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেলের নেতৃত্বে রাজ্যে বিশ্বমানের ক্রীড়া পরিবেশ গড়ে তোলার কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।
সঙ্ঘভি বলেন, “আমরা শুধু খেলোয়াড় তৈরি করছি না, এমন একটি পূর্ণাঙ্গ ক্রীড়া পরিকাঠামো গড়ে তুলছি, যাতে তারা আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনতে পারে।”
তিনি আরও জানান, ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমস আয়োজনের প্রস্তুতিও নিচ্ছে গুজরাট। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া পরিকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে।
রাজ্য সরকারের দাবি, গত এক দশকে অলিম্পিক, কমনওয়েলথ গেমস এবং এশিয়ান গেমসে গুজরাটের অংশগ্রহণ ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। শুটিং, টেবিল টেনিস, টেনিস, সাঁতার, অ্যাথলেটিক্স এবং সফট টেনিসের মতো বিভিন্ন খেলায় ক্রীড়াবিদদের নির্বাচিত হওয়া প্রমাণ করে যে, ক্রিকেটের গণ্ডি পেরিয়ে ভারতীয় ক্রীড়াক্ষেত্রে গুজরাটের অবদান ক্রমশ বাড়ছে।























