ভোপাল, ২১ জুলাই (আইএএনএস): মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার বর্ষাকালীন অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে ইউনিফর্ম সিভিল কোড (ইউসিসি) বিল এবং জনস্বার্থের বিভিন্ন ইস্যুতে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে প্রতীকী বিক্ষোভে সামিল হল কংগ্রেস। মঙ্গলবার কংগ্রেস বিধায়করা বিধানসভা চত্বরে একটি প্রতীকী মৃতদেহ নিয়ে এসে সরকারের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের সমস্যা উপেক্ষার অভিযোগ তোলেন।
অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে বহুল আলোচিত ইউসিসি বিল-সহ মোট আটটি বিল নিয়ে আলোচনা চলছে। ইউসিসি বিলকে কেন্দ্র করে শাসক দল ও বিরোধী কংগ্রেসের মধ্যে তীব্র বাকযুদ্ধের সৃষ্টি হয়েছে। কংগ্রেস বিধায়করা বিলটির বিরোধিতা করে সরকারের অবস্থানের সমালোচনা করেন।
এদিনই ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের প্রথম সম্পূরক বাজেটও বিধানসভায় পেশ করার কথা রয়েছে।
বিক্ষোভে কংগ্রেস বিধায়করা বিভিন্ন পোস্টার হাতে দাবি করেন, রাজ্য সরকার কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর পরিবর্তে বিদ্বেষের রাজনীতি করছে। তাঁদের অভিযোগ, কৃষক, বেকার যুবক এবং সাধারণ মানুষ নানা সমস্যায় জর্জরিত হলেও সরকার সেইসব বাস্তব সমস্যার সমাধান না করে বিতর্কিত বিষয়কে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
অধিবেশনে আবেদন ও নিবেদন কমিটি, অধস্তন আইন প্রণয়ন কমিটি, সরকারি উদ্যোগ কমিটি, সরকারি আশ্বাস কমিটি, মহিলা ও শিশু কল্যাণ, স্থানীয় স্বশাসন ও পঞ্চায়েত রাজ হিসাব, কৃষি উন্নয়ন এবং অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ-সহ একাধিক বিধানসভা কমিটির রিপোর্টও পেশ করা হবে।
এছাড়া মহিলা ও শিশু উন্নয়ন, সমাজকল্যাণ, শক্তি, নবীকরণযোগ্য শক্তি, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প (এমএসএমই), উচ্চশিক্ষা এবং পর্যটন দফতরের বার্ষিক রিপোর্ট ও বিজ্ঞপ্তিও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা বিধানসভায় উপস্থাপন করবেন।
অধিবেশনে ‘কলিং অ্যাটেনশন’ প্রস্তাবের আওতায় দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও উত্থাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, রাজ্য সরকার ইউসিসি-সহ তাদের আইন প্রণয়নের অগ্রাধিকারের পক্ষে সওয়াল করবে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে মধ্যপ্রদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নীতিগত সিদ্ধান্তের দিক থেকে এই অধিবেশনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।



















