News Flash

  • Home
  • মুখ্য খবর
  • এখন পর্যন্ত ২ লক্ষ ৬১ হাজার ২৬৯ মেট্রিক টন ধান কৃষকদের কাছ থেকে কেনা হয়েছে: মুখ্যমন্ত্রী
Image

এখন পর্যন্ত ২ লক্ষ ৬১ হাজার ২৬৯ মেট্রিক টন ধান কৃষকদের কাছ থেকে কেনা হয়েছে: মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ১০ জুলাই: রাজ্যের কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করার লক্ষ্যে কাজ করছে বর্তমান রাজ্য সরকার। এজন্য ধারাবাহিকভাবে পরিকল্পনা গ্রহণ করে কাজ করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে কৃষকদের আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ, কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে সহজ শর্তে ঋণ প্রদান সহ নানা সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। আজ কাকড়াবন দ্বাদশ শ্রেণি বিদ্যালয় মাঠে কৃষকদের কাছ থেকে ন্যূনতম সহায়কমূল্যে ধান ক্রয় অনুষ্ঠানের সূচনা করে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা।

অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশ মূলত কৃষি নির্ভর। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দায়িত্ব গ্রহণ করার পর কৃষি ও কৃষকদের উন্নয়নে নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করে কাজ করছেন। রাজ্য সরকারও কৃষকদের আর্থিকভাবে উন্নয়ন করার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা তাদের প্রদান করছে। প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক প্রচেষ্টায় কৃষকদের আর্থিক সুরক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে ফসল বীমা যোজনা, পি.এম. কিষাণ সম্মাননিধি, পিএম কুসুম যোজনা ইত্যাদি প্রকল্প চালু করা হয়েছে। রাজ্য সরকার এই প্রকল্পগুলির সুবিধা কৃষকদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে কাজ করছে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বিগত দিনে কৃষকদের আর্থিকভাবে উন্নয়ন করার কোনও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছিল না। ফলে কৃষকদেরও কৃষিকাজে অনীহা তৈরি হয়েছিল। বর্তমানে রাজ্য সরকার কৃষকদের কৃষিকাজে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে নানা সুবিধা প্রদান করছে। ফলে কৃষকরা পতিত জমিগুলি উদ্ধার করে পুনরায় কৃষিকাজ শুরু করছেন। কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করার লক্ষ্য নিয়েই বর্তমান রাজ্য সরকার ২০১৮ সাল থেকে কৃষকদের কাছ থেকে ন্যূনতম সহায়কমূল্যে ধান কেনা শুরু করেছে। ফলে এখন পর্যন্ত ২ লক্ষ ৬১ হাজার ২৬৯ মেট্রিকটন ধান কৃষকদের কাছ থেকে কেনা হয়েছে। তাতে কৃষকদের ষকদের অ্যাকাউন্টে ৫২০ কোটি টাকা পৌঁছানো হয়েছে। উপকৃত হয়েছেন ১ লক্ষ ৩৫ হাজার ১৬৬ জন কৃষক।

  মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, পি.এম. কিষাণ সম্মাননিধির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত রাজ্যের কৃষকদের অ্যাকাউন্টে ৯৬৯ কোটি ৯৭ লক্ষ টাকা প্রদান করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ফসল বীমা যোজনার মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা এখন পর্যন্ত ১০ কোটি ৬৩ লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন। এছাড়াও কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে এখন পর্যন্ত ৪ লক্ষ ৫৭ হাজারের উপর কৃষক এবং সয়েল হেলথ কার্ডের মাধ্যমে ২ লক্ষ ৫৩ হাজারেরও বেশি কৃষক উপকৃত হয়েছেন। পাশাপাশি কৃষকদের চাষাবাদের সুবিধার্থে রাজ্য সরকার ভর্তুকিতে বিভিন্ন কৃষি যন্ত্রপাতি প্রদান করছে।

অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী, বিধায়ক অভিষেক দেবরায়, গোমতী জিলা পরিষদের সভাধিপতি দেবল দেবরায়, বিধায়ক জিতেন্দ্র মজুমদার, কাকড়াবন পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান সুপ্রিয়া সাহা, গোমতী জেলার জেলাশাসক রিংকু লাথের, খাদ্য দপ্তরের প্রধান সচিব শান্তনু সহ অন্যান্য পদস্থ আধিকারিকগণ।

Releated Posts

অবসরপ্রাপ্ত আমলাদের পুনর্নিয়োগ বিতর্কে বিরোধীদের পাল্টা জবাব বিজেপির, অতীতের নজির তুলে ধরলেন নব্যেন্দু ভট্টাচার্য

আগরতলা, ১০ জুলাই: রাজ্যে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি আধিকারিকদের চুক্তিভিত্তিক পুনর্নিয়োগ নিয়ে বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরীর অভিযোগের পাল্টা জবাব দিল…

ByByReshmi Debnath Jul 11, 2026

দুবাইয়ের লুলু রিটেলের সঙ্গে অংশীদারিত্ব রাজ্যের কৃষকদের জন্য নতুন বাজারের সুযোগ তৈরি করেছে: কৃষিমন্ত্রী

আগরতলা: দুবাইয়ের লুলু রিটেলের মাধ্যমে গল্ফ দেশগুলিতে রপ্তানির উদ্দেশ্যে অর্গানিক কৃষিপণ্যের প্রথম চালান আনুষ্ঠানিকভাবে রওনা করলেন।লুলু রিটেল হল…

ByByReshmi Debnath Jul 10, 2026

অবসরপ্রাপ্ত আমলাদের বারবার পুনর্নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন বিরোধী দলনেতার, তদন্তের দাবি

আগরতলা, ১০ জুলাই: রাজ্য সরকারের একাধিক অবসরপ্রাপ্ত আমলাকে বারবার পুনর্নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে এর স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন…

ByByReshmi Debnath Jul 10, 2026

সাংসদ উন্নয়ন তহবিল ব্যয়ে নজির গড়লেন বিপ্লব কুমার দেব, লোকসভায় ৯৩ শতাংশের বেশি ও রাজ্যসভায় ১০০ শতাংশ ব্যয়ের দাবি

আগরতলা, ১০ জুলাই: পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব সাংসদ স্থানীয় এলাকা উন্নয়ন তহবিল ব্যয়ের ক্ষেত্রে…

ByByReshmi Debnath Jul 10, 2026

Leave a Reply

Scroll to Top