মানামা, ৭ জুলাই (আইএএনএস): ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর মঙ্গলবার বাহরিনের উপ-প্রধানমন্ত্রী খালিদ বিন আবদুল্লা আল খলিফার সঙ্গে বৈঠক করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেছেন। পাশাপাশি আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়েও দুই পক্ষের মধ্যে মতবিনিময় হয়েছে।
বৈঠকের পর এক্স (সাবেক টুইটার)-এ জয়শঙ্কর লেখেন, “আজ সকালে বাহরিনের উপ-প্রধানমন্ত্রী খালিদ বিন আবদুল্লা আল খলিফার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আনন্দিত। বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় করেছি।”
এর আগে সোমবার বাহরিনের রাজা হামাদ বিন ইসা আল খলিফার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন জয়শঙ্কর। সেই সময় তিনি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর শুভেচ্ছাবার্তা পৌঁছে দেন।
বিদেশমন্ত্রী জানান, বাহরিনে বসবাসকারী ভারতীয়দের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য তিনি রাজাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
জয়শঙ্কর এক্স-এ আরও লেখেন, “বাহরিনের মহামান্য রাজা হামাদ বিন ইসা আল খলিফার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পেরে সম্মানিত বোধ করছি। একইসঙ্গে যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী সালমান বিন হামাদ আল খলিফার সঙ্গেও সাক্ষাৎ হয়েছে। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আন্তরিক শুভেচ্ছা তাঁদের কাছে পৌঁছে দিয়েছি। ভারত-বাহরিন অংশীদারিত্বকে এগিয়ে নিয়ে যেতে মহামান্যের ধারাবাহিক দিকনির্দেশনার আমরা অত্যন্ত মূল্য দিই।”
সোমবারই মানামায় বাহরিনের বিদেশমন্ত্রী আবদুললতিফ বিন রশিদ আল জায়ানির সঙ্গেও বৈঠক করেন জয়শঙ্কর। সেখানে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা এবং পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।
এছাড়া বাহরিনে বসবাসকারী ভারতীয় সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন বিদেশমন্ত্রী। তাঁদের অভিজ্ঞতা ও ভারত-বাহরিন সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিভিন্ন প্রস্তাব শোনেন তিনি।
জয়শঙ্কর বলেন, বাহরিনে ভারতীয় সম্প্রদায় সে দেশের সমাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে এবং দুই দেশের মধ্যে একটি জীবন্ত সেতুবন্ধনের ভূমিকা পালন করছে।
কাতার সফর শেষে জয়শঙ্কর বাহরিনে পৌঁছেছেন। দোহায় তিনি কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান আল থানির সঙ্গে বৈঠক করেন এবং সেখানে ভারতীয় সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।
ছয় দেশের সফরের দ্বিতীয় পর্যায় হিসেবে বাহরিন সফর করছেন জয়শঙ্কর। এরপর তাঁর কুয়েত, ওমান, যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রাসেলস সফরের কর্মসূচি রয়েছে।


















