নয়াদিল্লি, ৫ জুলাই: হরিয়ানার বাহাদুরগড়ের বালাউর বাইপাসের কাছে রবিবার হরিয়ানা স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) এবং দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেলের যৌথ অভিযানে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের দুই অভিযুক্ত শুটার নিহত হয়েছে। নিহত দু’জনের মাথার দাম ছিল এক লক্ষ টাকা করে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এই সংঘর্ষে এক কনস্টেবল গুরুতর জখম হন এবং তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য উচ্চতর চিকিৎসাকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আরও চার পুলিশকর্মী গুলির মুখে পড়লেও তাঁদের বুলেটপ্রুফ জ্যাকেটে গুলি লাগায় প্রাণে বেঁচে যান।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, দুই অভিযুক্ত বাহাদুরগড়ে বড়সড় কোনও অপরাধ ঘটানোর পরিকল্পনা করছিল। সেই তথ্যের ভিত্তিতে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল এবং হরিয়ানা এসটিএফ-এর বাহাদুরগড় ইউনিট যৌথ অভিযান চালিয়ে বালাউর বাইপাস এলাকায় ফাঁদ পাতে।
পুলিশের দাবি, অভিযুক্তরা পুলিশকে দেখতে পেয়েই এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। এরপর উভয়পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি গুলি চলে। সংঘর্ষে প্রায় ১২ থেকে ১৩ রাউন্ড গুলি চলার পর দুই অভিযুক্ত নিহত হয়।
নিহতদের পরিচয় প্রকাশ, হিসার জেলার টিব্বা দানাশের গ্রামের বাসিন্দা প্রবেশ এবং জাখোদ খেরা গ্রামের বাসিন্দা হিমাংশু। পুলিশের দাবি, দু’জনেই লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সদস্য ছিল এবং গত মাসে হিসারের হাঁসিতে এক জিম মালিক খুনের ঘটনায় তারা প্রধান অভিযুক্ত ছিল। বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে তারা পুলিশের ‘ওয়ান্টেড’ তালিকায় ছিল।
হরিয়ানা এসটিএফ-এর পুলিশ সুপার বিক্রান্ত ভূষণ সংঘর্ষের ঘটনা নিশ্চিত করে জানান, নিহত দু’জনই হাঁসির জিম মালিক খুনের মামলায় ওয়ান্টেড ছিল।
অভিযানের পরই ঘটনাস্থলে পৌঁছন সিনিয়র পুলিশ আধিকারিকরা। এলাকা ঘিরে রেখে ফরেন্সিক তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনায় উদ্ধার হওয়া অস্ত্র এবং নিহতদের অপরাধমূলক অতীত-সহ বিস্তারিত তথ্য পরে সাংবাদিক বৈঠকে জানানো হবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
সূত্র: আইএএনএস



















