News Flash

  • Home
  • দেশ
  • ‘তৃণমূলে এবার ইস্তফার ট্রেন্ড শুরু হয়েছে’, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের পদত্যাগে কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের
Image

‘তৃণমূলে এবার ইস্তফার ট্রেন্ড শুরু হয়েছে’, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের পদত্যাগে কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের

কলকাতা, ৫ জুলাই: তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের সব দলীয় পদ থেকে ইস্তফাকে কেন্দ্র করে শাসকদলকে তীব্র কটাক্ষ করলেন পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, তৃণমূল কংগ্রেসে এখন একের পর এক পদত্যাগের প্রবণতা শুরু হয়েছে এবং দলের সাংগঠনিক শক্তি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

রবিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, “এক সময় দেশে পুরস্কার ফেরানোর একটা ট্রেন্ড হয়েছিল। এখন তৃণমূল কংগ্রেসে ইস্তফার ট্রেন্ড শুরু হয়েছে। মনে হচ্ছে, এই ধারা চলতেই থাকবে। এখন আর দলের কোনও সুসংগঠিত কাঠামো আছে বলে মনে হয় না। ফলে কে কোথায় ইস্তফা দিচ্ছেন, কোথায় যাচ্ছেন, তা বোঝাও কঠিন। এটা তাদের দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়।”

চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। দিলীপ ঘোষ বলেন, “এত বছর অর্থমন্ত্রী থাকার পর তিনি এখন বলছেন, বাজেট কীভাবে তৈরি হয়, তা তিনি জানতেন না। তাহলে এতদিন তিনি সেখানে বসে কী করছিলেন? তাঁকে না জানিয়েই কি বাজেট তৈরি হতো? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই একসময় বলেছিলেন, তিনি ট্রেডমিলে হাঁটতে হাঁটতে বাজেট তৈরি করেন। এভাবে কি বাজেট তৈরি হয়? এসব সম্পূর্ণ হাস্যকর। পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান আর্থিক দুরবস্থার পিছনে এই ধরনের শাসনব্যবস্থাই দায়ী।”

রাজ্যে দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “তৃণমূলের আমলে যে দুর্নীতি হয়েছে, তার তদন্ত চলছে। কারও কাছে প্রমাণ থাকলে পুলিশে অভিযোগ করুন। দোষী প্রমাণিত হলে কাউকেই ছাড়া হবে না।”

শনিবার তৃণমূল কংগ্রেসের সব সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফা দেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। বিধানসভা নির্বাচনে দলের পরাজয়ের পর তাঁকে রাজ্য সভাপতি করা হয়েছিল। ৩ জুন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলীয় সব কমিটি ভেঙে নতুন করে সংগঠন গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর তিনি সুব্রত বক্সীর স্থলাভিষিক্ত হন।

ইস্তফাপত্রে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য লিখেছেন, ৩ জুন কালীঘাটের বৈঠকে তাঁকে যে রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, সেই পদ থেকে তিনি ইস্তফা দিচ্ছেন। পাশাপাশি বর্তমানে দলের যে সমস্ত পদে তিনি রয়েছেন, সেগুলি থেকেও সরে দাঁড়াচ্ছেন।

চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের এই পদত্যাগের পর তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ সমন্বয় ও নেতৃত্ব নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিরোধীরাও দলটির সাংগঠনিক পরিস্থিতি নিয়ে আরও সরব হয়েছে।

সূত্র: আইএএনএস

Releated Posts

সোনিয়া-রাহুল কীভাবে ‘বন্দে মাতরম’-এর তাৎপর্য বুঝবেন: বিজেপি

নয়াদিল্লি, ২০ আগস্ট (আইএএনএস): কংগ্রেসের কর্মসমিতি দলীয় কর্মসূচিতে জাতীয় সঙ্গীত ‘বন্দে মাতরম’-এর শুধুমাত্র প্রথম দুটি স্তবক গাওয়ার পুরনো…

ByByNews Desk Aug 20, 2026

ভারতের ‘মহাসাগর’ ও জাপানের ‘ফ্রি অ্যান্ড ওপেন ইন্দো-প্যাসিফিক’-এর ঘনিষ্ঠ সমন্বয় এখন আগের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ: রাজনাথ

নয়াদিল্লি, ২০ আগস্ট (আইএএনএস): ভারতের ‘মহাসাগর’ দৃষ্টিভঙ্গি এবং জাপানের ‘ফ্রি অ্যান্ড ওপেন ইন্দো-প্যাসিফিক’ উদ্যোগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় এখন…

ByByNews Desk Aug 20, 2026

রাহুলের নেতৃত্বে কংগ্রেস জোরালোভাবে তোষণের রাজনীতি করছে: ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে অমিত শাহ

নয়াদিল্লি, ২০ আগস্ট (আইএএনএস): কংগ্রেসের ‘চরম তোষণের রাজনীতি’র তীব্র সমালোচনা করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বৃহস্পতিবার অভিযোগ করেন,…

ByByNews Desk Aug 20, 2026

রাহুল গান্ধীর পুনে সফর: কংগ্রেসের স্থানীয় ইউনিটের অভ্যন্তরীণ ঐক্যের অগ্নিপরীক্ষা

মুম্বই, ২০ আগস্ট (আইএএনএস): কংগ্রেসের ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিগুলির অন্যতম পুনে ইউনিটে সাংগঠনিক শক্তি পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে আগামী ২২…

ByByNews Desk Aug 20, 2026
Scroll to Top